প্রশাসনিক সূত্রের মতে, জনসংখ্যা বৃদ্ধি ও পরিষেবা সম্প্রসারণের প্রয়োজনীয়তা মাথায় রেখেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। নতুন ওয়ার্ড যুক্ত হলে নাগরিক পরিষেবা আরও কার্যকরভাবে পৌঁছে দেওয়া সম্ভব হবে বলে মনে করছে সরকার।
সুখবর! ‘৪ রাশি’ টাকার গদিতে চড়বে! বুধ প্রবেশ করছেন শতভিষা নক্ষত্রের দ্বিতীয় অবস্থানে
হাওড়া পৌরসভা 1862 সালে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল এবং 1896 সাল থেকে ফিল্টারযুক্ত জল সরবরাহের মাধ্যমে নাগরিকদের পরিষেবা শুরু হয়েছিল। 1882-83 সালে, হাওড়া পৌরসভা থেকে আলাদা করে বালি পৌরসভা গঠিত হয়েছিল। 1980 সালের হাওড়া মিউনিসিপ্যাল কর্পোরেশন অ্যাক্ট দ্বারা 1984 সালে হাওড়া একটি মিউনিসিপ্যাল কর্পোরেশনে পরিণত হয়।
advertisement
শুক্রবার বিধানসভায় অধিবেশন শেষের পরে স্পিকার বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঘরে কার্যবিবরণী কমিটির বৈঠক বসে। সেই বৈঠকে ঠিক হয়েছে, বিধানসভা অধিবেশনের শেষ দিন অর্থাৎ, শনিবার দ্বিতীয়ার্ধে ‘হাওড়া মিউনিসিপ্যাল কর্পোরেশন (সংশোধনী) বিল ২০২৬’ পেশ করা হবে। এই বিল পাশ হয়ে গেলে, তা পাঠানো হবে রাজ্যপালের অনুমোদনের জন্য। তিনি বিলে স্বাক্ষর করলেই, হাওড়া পুরসভা ভোটে আর কোনও জটিলতা থাকবে না বলেই দাবি পুর ও নগরোন্নয়ন দফতরের একাংশের।
২০১৮ সাল থেকে হাওড়া পুর নিগমের ভোট আটকে রয়েছে আইনি জটিলতায়। শেষ বার হাওড়া পুরসভায় ভোট হয়েছিল ২০১৩ সালে। ২০১৫ সালে বালি পুরসভাকে হাওড়া পুরসভার সঙ্গে মিলিয়ে দেওয়া হয়। সেই সময় বালি পুরসভার ৩৫টি ওয়ার্ডকে ভেঙে ১৬টি ওয়ার্ড তৈরি করে তা জুড়ে দেওয়া হয়েছিল হাওড়া পুরসভায়। কিন্তু ২০২১ সালে ক্ষমতায় আসার পর পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভায় হাওড়া পুরসভার সংশোধনী বিল এনে আবারও বালি ও হাওড়াকে পৃথক করে দেওয়া হয়।
