সকালেই থানায় নিখোঁজ ডায়েরি দায়ের করেছিল ওই মহিলার ছেলে। দুপুরে উদ্ধার হল সেই মহিলারই দেহ। মৃতদেহ রাখা বস্তা দেখে পরিচয় জানতে পারেন স্থানীয়রা। ছেলের বাইক ঢাকা দেওয়ার বস্তায় মায়ের দেহ নিয়ে রাস্তায় ফেলে ছেলে।
advertisement
কার্যত পুলিশের কাছের স্বীকার করে অভিযুক্ত ছেলে। ছেলে ও বৌমা মিলেই খুন করে মহিলাকে। প্রথমে শ্বাসরোধ করে খুন করে তারপর হাত-পা গলায় দড়ি বেঁধে বস্তায় ঢুকিয়ে রাস্তার ধারে ফেলে দিয়ে যায় ছেলে।
এদিকে, স্ত্রীর বিবাহ বহির্ভূত সম্পর্কের জেরে স্ত্রীকে গলা কেটে খুনের অভিযোগ স্বামীর বিরুদ্ধে। মৃতার নাম বীথিকা শাসমল (৩৩)। ঘটনাটি ঘটেছে বাসন্তীর মাকাল পাড়া এলাকায়। মঙ্গলবার রাতে ঘুমের মধ্যেই ধারালো অস্ত্র দিয়ে স্ত্রীকে কুপিয়ে খুন করে বাপন শাসমল ওরফে তপন। তারপরেই বাইক নিয়ে পালিয়ে যায় অভিযুক্ত। বুধবার সকালে নিউটাউন থানা এলাকায় ধরা পড়ে অভিযুক্ত। সেখান থেকে বাসন্তী থানার পুলিশ তাকে গ্রেফতার করেছে। ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রের খবর, বছর পনেরো আগে সন্দেশখালির বাসিন্দা বাপনের সঙ্গে বিয়ে হয় গোসাবার বাসিন্দা বীথিকার। তাঁদের একটি বছর চোদ্দর কন্যা সন্তানও রয়েছে। বছর কয়েক ধরে বীথিকা একটি বেসরকারি লোন দানকারী সংস্থায় কর্মরত। সেখানেই সহকর্মীদের সঙ্গে মেলামেশা বা ভাল ভাবে কথা বার্তা মেনে নিতে পারত না বাপন।
