শিশু বিশেষজ্ঞ ডা. আশিষ কুমার ভদ্র জানান, আবহাওয়ার হঠাৎ পরিবর্তনের ফলে শিশুদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কিছুটা দুর্বল হয়ে পড়ে। বিশেষ করে নবজাতক ও পাঁচ বছরের নিচের শিশুদের ক্ষেত্রে এই ঝুঁকি বেশি। অনেক সময় সাধারণ সর্দি-কাশি অবহেলা করলে তা ব্রঙ্কাইটিস বা নিউমোনিয়ার মতো জটিল সমস্যায় রূপ নিতে পারে। তিনি বলেন, “দিনে গরম লাগলেও সন্ধ্যার পর হালকা গরম পোশাক পরানো উচিত। অনেক অভিভাবক দুপুরের গরম দেখে শিশুদের পাতলা জামা পরিয়ে রাখেন, ফলে রাতের ঠান্ডায় তারা অসুস্থ হয়ে পড়ে।” পাশাপাশি ঘরের ধুলোবালি, পরাগরেণু ও দূষণ থেকেও শিশুদের দূরে রাখার পরামর্শ দেন তিনি, কারণ বসন্তকালে অ্যালার্জির সমস্যাও বাড়ে।
advertisement
চিকিৎসকের মতে, শিশুদের সুষম খাবার খাওয়ানো, পর্যাপ্ত পানি পান করানো এবং নিয়মিত হাত ধোয়ার অভ্যাস গড়ে তোলা অত্যন্ত জরুরি। বাইরে থেকে বাড়ি ফিরে বা খেলাধুলার পর হাত-মুখ পরিষ্কার রাখা উচিত। প্রয়োজনে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী ভিটামিন বা অন্যান্য প্রয়োজনীয় ওষুধ দেওয়া যেতে পারে। সবশেষে ডা. ভদ্র অভিভাবকদের উদ্দেশে বলেন, “শিশুর জ্বর তিন দিনের বেশি স্থায়ী হলে, শ্বাস নিতে কষ্ট হলে বা খাওয়াদাওয়া একেবারে বন্ধ করে দিলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে। ছোটদের অসুস্থতাকে কখনও হালকাভাবে নেওয়া উচিত নয়।” ঋতু পরিবর্তনের এই সময়ে একটু সচেতনতা ও যত্নই পারে শিশুদের সুস্থ ও নিরাপদ রাখতে।