২০১৭ সালের ২১ জানুয়ারি বলাগড়ের আসানপুর গ্রামে মা-মেয়ে ও তাদের গাড়ি চালককে ছেলেধরা সন্দেহে মারধর করা হয়। যাদের মারধর করা হয়েছিল, তাঁরা ছিলেন কল্যাণীর এক অধ্যাপকের স্ত্রী ও মেয়ে এবং তাঁদের গাড়ির চালক। শুধু মারধর নয়, পাশাপাশি যে গাড়িতে তারা ছিলেন সেই গাড়িতে আগুন দিয়ে সকলকে পুড়িয়ে মারার চেষ্টা করা হয়। ঘটনাকে কেন্দ্র করে রণক্ষেত্রের চেহারা নিয়ে ছিল ওই দিন ওই এলাকা।
advertisement
আরও পড়ুন: শিক্ষকের বাড়িতে অত্যাধুনিক বন্দুক, খুদেদের লক্ষ্য করে চলল গুলি! হাড়হিম করা কাণ্ড মুর্শিদাবাদে
এমন ঘটনায় পুলিশকেও আক্রমণ করা হয়েছিল। তীরবিদ্ধ হয়েছিলেন এক সিভিক ভলেন্টিয়ার, পাশাপাশি আহত হয়েছিলেন ১১ জন পুলিশ কর্মী। এমন একটি ঘটনায় শুক্রবার দোষী সাব্যস্তদের সাজা ঘোষণা করল চুঁচুড়া আদালত।
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
এই ঘটনায় মামলা রুজু হওয়ার পর সেই মামলায় ২৭ জনের সাক্ষ্য করান সরকারি আইনজীবী জয়ন্ত সাহা এবং বৃহস্পতিবার অভিযুক্ত ২৫ জনকে দোষী সাব্যস্ত করা হয়। শুক্রবার তাদের মধ্যে দু’জনের যাবজ্জীবন এবং ২৩ জনের সাত বছরের জেলের সাজা শোনান বিচারক পীযূষ কান্তি রায়। যাদের যাবজ্জীবন সাজা শোনানো হয়েছে তারা হলেন গোপাল রায় ও পূর্ণিমা মালিক। আদালতের মুখ্য সরকারি আইনজীবী শঙ্কর গাঙ্গুলী জানিয়েছেন, একসঙ্গে ২৫ জনের সাজা ঘোষণা জেলার আদালতে নতুন দৃষ্টান্ত তৈরি করল।
