রবিবার কোন্নগর জিটি রোডের বাটা মোড় থেকে কানাইপুর বাসাই পর্যন্ত জমকালো প্রচার করেন। প্রচার শেষে মীনাক্ষী বলেন, ”গোটা রাজ্যে SIR-এর নামে বিজেপি নির্বাচন কমিশনকে ব্যবহার করে অস্থিরতা তৈরি করছে। তাতে অসংখ্য মানুষ আতঙ্কে রয়েছেন। আর তৃণমূল সেই আগুনে ঘি ঢেলে দিয়েছে। ফলে মানুষ আরও আতঙ্কিত হচ্ছে। বাকি যাদের নাম বাদ গেছে, তাদের ফিরিয়ে আনার জন্য সিপিআইএম লড়াই করছে। এই লড়াইয়ে আমরাই জিতব।”
advertisement
আগামী ৮ তারিখ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সভা করতে আসছেন শ্রীরামপুরে। সেই প্রসঙ্গে বলেন, ”ওঁর আরও আগে আসা উচিত ছিল। এখন এসে আর কোনও লাভ হবে না। হাত থেকে সব বেরিয়ে গেছে।”
দলীয় প্রার্থী ঘোষণার অনেক আগে থেকেই মীনাক্ষীকে উত্তরপাড়ার ময়দানে নামিয়ে দিয়েছিল সিপিএম। প্রায় তিন মাস ধরে এলাকার অলিগলি চষে ফেলেছেন তিনি। কখনও ‘ক্যাপ্টেন’, কখনও ‘পলি দি’ হিসেবে সাধারণ মানুষের দুয়ারে পৌঁছে গিয়েছেন। মনোনয়ন জমা দিয়ে মীনাক্ষী দাবি করেন, বিজেপি এবং তৃণমূলের প্রার্থীরা কেবল ওপর ওপর ‘ঢাক’ বাজাচ্ছে, তারা পাড়ার ভেতরে মানুষের সমস্যার কথা শোনার প্রয়োজন মনে করছে না। অন্যদিকে, তিনি প্রতিটি বাড়িতে গিয়ে প্রবীণদের আশীর্বাদ ও ভালোবাসা পাচ্ছেন বলে বেশ আত্মবিশ্বাসী দেখায় তাঁকে।
নন্দীগ্রামের হারের প্রসঙ্গ টেনে সমাজমাধ্যমে বিরোধীরা কটাক্ষ করছেন যে, উত্তরপাড়ায় হারলে মীনাক্ষীকে আর এই তল্লাটে দেখা যাবে না। এর জবাবে মীনাক্ষী সপাটে বলেন, “গত পাঁচটা বছর আমি গাড়িতেও চাপিনি, চেয়ারেও বসিনি। লাল ঝান্ডা কাঁধে নিয়ে রাজ্যের প্রতিটি কোণ চষে বেড়িয়েছি। যারা এসব বলছেন, তাঁদের জিজ্ঞাসা করুন আমরা মানুষের পাশে ছিলাম কি না।”
