প্রচারের ফাঁকে সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, ”এলাকায় পূর্বে দেওয়া আমার প্রতিশ্রুতির অনেকটাই বাস্তবায়িত হয়েছে। বাড়ি বাড়ি পানীয় জলের ব্যবস্থা থেকে শুরু করে রাস্তাঘাটের উন্নয়ন সব ক্ষেত্রেই কাজ হয়েছে।” পাশাপাশি লক্ষ্মীর ভাণ্ডার প্রকল্পের উপকারিতা তুলে ধরে তিনি জানান, ”সাধারণ মানুষ এই প্রকল্প থেকে উপকৃত হচ্ছেন এবং এটিকে তাঁদের অতিরিক্ত আয়ের একটি গুরুত্বপূর্ণ উৎস হিসেবে দেখছেন। সিপিএমকে ‘অস্তিত্বহীন’ বলেও আক্রমণ করেন।”
advertisement
অন্যদিকে, প্রার্থী শীর্ষণ্য বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁর বক্তব্যে সরাসরি কেন্দ্রের নীতির সমালোচনা করেন। তাঁর অভিযোগ, রান্নার গ্যাসসহ নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিসের মূল্যবৃদ্ধি সাধারণ মানুষের ওপর চাপ সৃষ্টি করেছে, যা একটি ‘কৃত্রিম সঙ্কট’। তিনি বলেন, এই পরিস্থিতির জবাব বাংলার মানুষ ভোটের মাধ্যমে দেবে।
নিজের প্রচার কৌশল প্রসঙ্গে শীর্ষণ্য জানান, তিনি স্টান্টবাজির রাজনীতিতে বিশ্বাসী নন, বরং সারা বছর মানুষের পাশে থাকাকেই প্রাধান্য দেন। বাড়ি বাড়ি গিয়ে ভোটারদের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগই তাঁর প্রধান লক্ষ্য।
