তবে এবারের নির্বাচনে দল তাঁকে প্রার্থী না করায় স্বাভাবিকভাবেই কিছুটা আক্ষেপের সুর শোনা গিয়েছে তাঁর কথায়। তিনি বলেন, তিনি নিজের কাজে কোনও খামতি রাখেননি বলেই মনে করেন। তবুও দল অন্য কাউকে সুযোগ দিয়েছে, সেটাকে তিনি মেনে নিয়েছেন। দলের প্রতি কৃতজ্ঞতাও প্রকাশ করেছেন, কারণ তাঁকে তিনবার সুযোগ দেওয়া হয়েছিল। রাজনীতি ছাড়ার সিদ্ধান্ত নিয়ে তিনি একেবারেই পরিষ্কার। আর সক্রিয় রাজনীতিতে থাকতে চান না বলেই জানিয়েছেন।
advertisement
আরও পড়ুনঃ বামের ভোট আর রামে নয়! অভূতপূর্ব স্ট্র্যাটেজি তৈরি করছেন অশোক ভট্টাচার্য! CPIM এবার অন্য মেজাজে
তবে জীবন থেমে থাকবে না, এ কথাও তিনি বলেছেন। এখন থেকে বই পড়া, ক্লাবের কাজ, এইসব নিয়েই সময় কাটাতে চান। এছাড়াও প্রয়োজনে আবার নিজের পেশায় ফিরে যাওয়ার কথাও জানিয়েছেন তিনি। তাঁর আইনজীবীর ডিগ্রি রয়েছে, তাই দরকার হলে আবার কোর্টে কাজ শুরু করতে পারবেন বলেও আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে বলেছেন। ভবিষ্যতে অন্য দলে যোগ দেওয়ার সম্ভাবনা নিয়ে তিনি স্পষ্ট কিছু না বললেও পুরোপুরি অস্বীকারও করেননি। আপাতত নিজের ঘনিষ্ঠদের সঙ্গে কথা বলেই সিদ্ধান্ত নেবেন বলে জানিয়েছেন। সব মিলিয়ে, অসিত মজুমদারের এই সরে দাঁড়ানো শুধু একজন নেতার অবসর নয়, বরং এক দীর্ঘ রাজনৈতিক যাত্রার শেষ। তবে মানুষের সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক এবং কাজের স্মৃতি চুঁচুড়ায় অনেকদিন মনে থাকবে।






