সেই ঘটনার ২২ বছর পর সাত জন অভিযুক্তকে কারাদণ্ড দিল আদালত। চুঁচুড়া আদালতের সেকেন্ড ফাস্ট কোর্টের বিচারক দেবাশিস সাঁতরা বৃহস্পতিবার সাতজনকে দোষী সাব্যস্ত করেন।আজ তাদের সাজা ঘোষণা হয়। ছয় জনের সাত বছরের জেল এবং দশ হাজার টাকা করে জরিমানা অনাদায়ে দুই মাস জেল, এক জনের দুই বছরের কারাদণ্ড, দুই হাজার টাকা জরিমানা এবং অনাদায়ে দুই মাসের জেলের সাজা দেওয়া হয়।
advertisement
সরকারি আইনজীবী সুব্রত ভট্টাচার্য বলেন, ‘রমানন্দ মণ্ডল বলাগড় থানায় অভিযোগ দায়ের করেছিলেন। তার ভাইপো দিবাকর মণ্ডলকে আম্পায়ারের ভুল সিদ্ধান্তের জন্য মারধর করা হয়।মামলায় দুজন তদন্তকারী অফিসার ছিলেন। ভাল তদন্ত হয়েছে।’ আদালতের মুখ্যমন্ত্রী সরকারি আইনজীবী শংকর গঙ্গোপাধ্যায় বলেন, ‘এই মামলা দীর্ঘ সময় ধরে চলেছে। প্রথমে মামলার সরকারি আইনজীবী ছিলেন কালি সিংহ রায়।তিনি ১৪ জনের সাক্ষী নিয়েছিলেন। ২০১৮ সালে মামলাটি সুব্রত ভট্টাচার্যর হাতে যায়। তিনি বাকি পাঁচ জনের সাক্ষ্য নেন। মামলার দীর্ঘ সময় ধরে চলার আরো কারন আছে।তবে যেকোনো মামলা আরো কম সময়ে নিষ্পত্তি হওয়ার দিকে নজর রাখছি।চলতি বছর এখনো পর্যন্ত দশটি মামলার রায় হয়েছে।’
