২০২৩-এর ৪ অক্টোবরের সেই রাতে তিস্তার গ্রাসে চলে গিয়েছিল তিস্তাবাজার, মেল্লি, ভালুখোলা। চারিদিকে ছিল সব হারানোর আর্তনাদ। আজও তিস্তাপাড়ের বাসিন্দাদের সেই স্মৃতি তাড়া করে বেড়ায়। তবে এবার সেই ক্ষত কিছুটা ভুলে তাঁদের মুখে ফুটেছে হাসি। সৌজন্যে রাজ্য সরকার।
advertisement
বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত ৪৭টি পরিবারের পাশে দাঁড়িয়েছে রাজ্য। তুলে দেওয়া হবে জমির পাট্টা। ইতিমধ্যেই জিটিএ প্রশাসনের হাতে দেড় একর জমি তুলে দিয়েছে সরকার। ক্যাবিনেট বৈঠকে পাস হওয়ার পরেই জমি হস্তান্তর করা হয়। এর আগে ক্ষতিগ্রস্তদের বাড়ি তৈরির জন্য ৩ লক্ষ টাকা করে আর্থিক অনুদানের কথা ঘোষণা করেছিল জিটিএ। অনেকেই তা পেয়েছেন, বাকিরাও দ্রুত পাবেন।
২৩-এর অক্টোবর থেকে আজও অনেক পরিবার ত্রাণ শিবির তথা কমিউনিটি হলে রয়েছেন। কারও আবার ঠাঁই হয়েছে ত্রিপলের তলায়। এবার মুখ্যমন্ত্রীর ঘোষণা মতো জমি তুলে দিচ্ছে রাজ্য। দ্রুত ক্ষতিগ্রস্ত ৪৭টি পরিবারের হাতে পাট্টা তুলে দেবেন জিটিএ-র চিফ এগজিকিউটিভ অনীত থাপা। সব মিলিয়ে, ভয়াবহ বন্যার আড়াই বছরের মাথায় তিস্তাপাড়ে স্বস্তির হাওয়া।
