এখন প্রশ্ন উঠতে পারে, হঠাৎ কেন সাগরে ডেনমার্কের সংস্থার প্রয়োজন পড়ল? জানা গিয়েছে, মুড়িগঙ্গার এই সেতু করা অত্যন্ত জটিল একটি বিষয়। এত চওড়া নদীর উপর চার লেনের সেতু পৃথিবীতে খুবই কম রয়েছে। এই ধরণের সেতুর নকশা চূড়ান্ত করার ক্ষেত্রে ডেনমার্কের এই সংস্থা পৃথিবী বিখ্যাত। সেই কারণেই তাঁদের আনা হচ্ছে।

আরও পড়ুনঃ আশা প্যারামেডিক্যাল অ্যান্ড নার্সিং ইনস্টিটিউট কাণ্ডে নয়া মোড়! পুলিশ প্রশাসনের কড়া পদক্ষেপ, জানুন বিস্তারিত

advertisement

জানুয়ারি মাসে এই সেতুর শিলান্যাস করেছেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এই সেতু সাগর দ্বীপের মানুষের কাছে গর্বের একটি বিষয়। সেই কারণে এই সেতু নির্মাণে কোনও ফাঁক রাখতে চাইছে না রাজ্য সরকার।

View More

প্রসঙ্গত, প্রায় পাঁচ কিলোমিটার এই সেতুর দরপত্র ডেকে লার্সেন অ্যান্ড টুব্রো-কে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। তাঁরাই এই সেতু নির্মাণ করবে। তার আগে আরও একবার নকশা যাচাই এবং নির্মাণকাজ চলাকালীন পর্যবেক্ষণের জন্য আরও একটি সংস্থাকে নিয়োগের প্রয়োজন হয়ে পড়ে। সেই কাজের দায়িত্ব কেন্দ্রীয় নবরত্ন সংস্থা রাইটসকে দেওয়া হচ্ছে। রাইটসের মাধ্যমে ডেনমার্কের ওই সংস্থাকে দিয়ে সেতুর নকশা চূড়ান্ত করার পথেই এগোচ্ছে রাজ্যের পূর্ত দফতর।

advertisement

আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন

প্রায় ১৬৭০ কোটি টাকা বাজেটের এই সেতু তৈরির পর যাতে কোনওভাবেই অসুবিধা না হয় সেই জন্য এই ব্যবস্থা। ইতিমধ্যেই এই সেতুর অ্যাপ্রোচ রোডের জন্য সেতুর দুই দিকের জমি কেনা শেষ হয়েছে। এবার ‘অ্যাপ্রুভাল অব ডিজাইন’ এর ছাড়পত্র পেলেই মূল কাজ শুরু হয়ে যাবে।

advertisement