কিন্তু এই ভাতার জন্য আবেদন করেও অনেকে পাচ্ছেন না। ফলে সমস্যা থেকেই গিয়েছে। এই কথা জানিয়েছেন সঞ্জয় দাস নামের এক মৎস্যজীবী। ভাতা না মেলায় কাজ করতে হচ্ছে। তবে জাল সারানোর কাজ এখন সারা বছর হয়। ফলে যারা এই কাজ জানেন তাদের সুবিধা হয়। এখানে জাল বলতে ট্রলারে যে জাল ব্যবহার করা হয় সেই জালের কথা বলা হয়েছে। এই কাজ মহিলারাও করেন। মহিলারা ট্রলারে যান না। ফলে তারা এই কাজ সারা বছর করতে পারেন।
advertisement
সমুদ্র সাথী সবাই না পাওয়ায় সমস্যা দেখা দিয়েছে দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলার মথুরাপুর ২ নং ব্লকের রায়দিঘি, কুমড়োপাড়া, কনকনদিঘি এলাকা-সহ নদী লাগোয়া অন্যান্য ব্লকগুলিতেও। এখানে বেশ কিছু মৎস্যজীবী জানিয়েছেন, তারা গভীর সমুদ্রে মাছ ধরতে যান।
সমুদ্রসাথী প্রকল্পে আবেদন করার সময় অনেকেই লগবুক ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় নথি জমা দিয়েছিলেন। কিন্তু তাও ভাতা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। তাদের দাবি, গভীর সমুদ্রে যারা মাছ ধরতে যান তাদের জন্য এই সমুদ্রসাথী প্রকল্প দেওয়া হোক।
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
দ্রুত সমস্যা সমাধান করে ভাতা চালু করলে খুবই উপকৃত হবেন বলে জানিয়েছেন মৎস্যজীবীরা। বিশেষ করে যারা সমুদ্রে মাছ ধরতে যান তাদের এই সুবিধা পৌঁছে দিলে তারা খুবই উপকৃত হবেন। এখন দেখার, কবে এই সমস্যার সমাধান হয়।





