ঘটনার খবর পেয়ে হাওড়ার ডিভশনের এডিআরএম (প্রশাসনিক) উদয় কেশরীর নেতৃত্বে পাঁচ সদস্যের দল কাটোয়ায় আসে। এডিআরএম উদয় কেশরীর নেতৃত্বে ডিভিশনের ইলেকট্রিক্যাল বিভাগের আধিকারিক রেলওয়ে সেফটি এন্ড সিকিউরিটি-সহ মেকানিক্যাল বিভাগের আধিকারকগণ কাটোয়ার প্লাটফর্মে এসে তদন্ত শুরু করেছে। প্লাটফর্মে দাঁড়িয়ে থাকা রেলের কামরায় শর্ট সার্কিট থেকে আগুন লেগেছিল সেই তত্ত্বকে সামনে রেখে তদন্ত শুরু করলেও তদন্তকারী দলের নজর কিন্তু প্লাটফর্মে সিসি ক্যামেরার ফুটেজের উপর। সেখানের ফুটেজ খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারী আধিকারিকেরা।
advertisement
পুড়ে যাওয়া কামরাটিকে কারশেডে সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। রেলের তরফ থেকে ঘটনাস্থলের ফটো তোলা হচ্ছে। কীসের গাফিলতিতে এতবড় অগ্নিকাণ্ড ঘটল সেটাই খুঁজছে রেল। এছাড়াও প্রশ্ন উঠেছে কাটোয়া ২ নম্বর প্লাটফর্মে দাঁড়িয়ে থাকা কাটোয়া- আজিমগঞ্জ প্যাসেঞ্জারে কামরায় আগুন লেগেছে দেখেও রেলের আপৎকালীন অগ্নিনির্বাপক ব্যবস্থার সঠিক প্রয়োগ করতে রেলকর্মীরা দেরি করল কেন? সাধারণ যাত্রীদের অনেকেই বলছেন, বড় দুর্ঘটনার হাত থেকে বেঁচে গেল কাটোয়া স্টেশন চত্বর। বেলার দিকে এই ঘটনা ঘটলে অনেকে হতাহত হতে পারতেন। একই সঙ্গে প্রশ্ন উঠছে এই অগ্নিকাণ্ড কি শুধুই বিদ্যুতের শর্ট সার্কিটের জন্য, নাকি এর পেছনে অন্য কোনও কারণ রয়েছে। শুধুমাত্র শর্ট সার্কিট দ্রুত কামরাটি কিভাবে দাউ দাউ করে জ্বলে উঠল তা নিয়েও প্রশ্ন তুলছেন অনেকে। রেল সূত্রে জানা গিয়েছে, ঘটনার আগের ও আগুন লাগার সময়ের সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তদন্তে সব সম্ভাবনার কথাই মাথায় রাখা হচ্ছে।
