মাত্র সপ্তাহ দুয়েক আগেই রবীন্দ্রনাথের স্ত্রী গত হয়েছেন। এসআইআর শুনানিতে স্বামী ও সন্তানকে ডাকার পর থেকেই মানসিক অবসাদে ভুগছিলেন তিনি। আর তাঁর মৃত্যুর পর এক মাস কাটতে না কাটতেই চূড়ান্ত ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ গেল স্বামী ও সন্তানের। শুধুমাত্র ২০০২ সালের ভোটার তালিকায় নাম না থাকার কারণেই তাঁদেরকে চূড়ান্ত তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে বলে দাবি মিঠুনের।
advertisement
৩৭ বছর ধরে ইরান শাসন করা সর্বোচ্চ নেতা! জানেন, কে ছিলেন আয়াতোল্লা আলি খামেনেই?
নেতৃত্বের শূন্যতায় বংশধরই ভরসা! আয়াতোল্লা আলি খামেনেইয়ের পরে ইরানের পরবর্তী সর্বোচ্চ নেতা কে?
অন্য দিকে, এসআইআর-এর চূড়ান্ত তালিকায় নাম বাদ গেল ময়নাগুড়ির বিডিও প্রসেনজিৎ কুন্ডুর। তিনি আলিপুরদুয়ার শহরের বাসিন্দা। তাঁর নাম বাদ যাওয়ার ঘটনা সামনে আসতেই চাঞ্চল্য শুরু হয়েছে আলিপুরদুয়ার শহর এলাকায়। বিডিও প্রসেনজিৎ কুন্ডুর বাড়ি আলিপুরদুয়ার শহরের ৭ নম্বর ওয়ার্ড এলাকায়। ইটখোলা নামের একটি স্থানে তাঁর বাড়ি।
তাঁর বয়স ৩৭ বছর। কর্মসূত্রে তিনি ময়নাগুড়িতে থাকছেন পরিবার নিয়ে। শনিবার প্রকাশিত হয়েছে এসআইআর এর চূড়ান্ত তালিকা। আলিপুরদুয়ারে বাদ গিয়েছে ১১ হাজার ৬৯২ জনের নাম। তাঁর মধ্যে রয়েছে এই বিডিও-র নাম। এই ছবি ভাইরাল হয়েছে সোশ্যাল মাধ্যমে। যদিও ময়নাগুড়ির বিডিও প্রসেনজিৎ কুন্ডু এই বিষয়ে কোনও মন্তব্য করেননি। এমনকি এলাকার বিএলও কিছু বলতে নারাজ।
