জানা যাচ্ছে, হাতিটি স্থানীয় বাসিন্দা গোলাপী মল্লিক ও কৃষ্ণা মল্লিকের বাড়ির বারান্দায় রাখা ধানের বস্তা শুঁড় দিয়ে টেনে বাইরে বের করে এনে সাবাড় করে দেয়। বাড়ির বারান্দার উপর ছাদ না থাকায় হাতির পক্ষে খাবার খাওয়া সহজ হয়।
advertisement
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বাড়িতে ওই দু’জনই বাস করতেন। ঘটনার খবর পেয়ে ঝাড়গ্রাম রেঞ্জের পুকুরিয়া বিটের বিটবাবু দ্রুত পদক্ষেপ নেন। রাতেই ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের বাড়িতে পৌঁছে বন দফতরের পক্ষ থেকে ত্রিপল, চাল, ডাল, আলু, সরিষার তেল ও সয়াবিন-সহ প্রয়োজনীয় খাদ্যসামগ্রী তুলে দেন। পাশাপাশি সরকারি নিয়ম অনুযায়ী, পরবর্তীতেও ক্ষতিপূরণ প্রদানের আশ্বাস দেন। এতে কিছুটা স্বস্তি ফিরে আসে পরিবারটিতে।
অন্যদিকে, গত কয়েক দিন আগে রাত আনুমানিক ১টা নাগাদ পুকুরিয়া বিটের বনকর্মীরা দুটি হাতিকে লোকালয় থেকে নিরাপদে তাড়িয়ে স্থানীয় জঙ্গলে ফেরত পাঠাতে সক্ষম হন। বন দফতরের তৎপরতায় বড়সড় দুর্ঘটনা এড়ানো সম্ভব হয়। স্থানীয়রা বাসিন্দারা বন দফতরের দ্রুত পদক্ষেপ ও সতর্কতার প্রশংসা করছেন। এই ঘটনার ফলে গ্রামে হাতির সঙ্গে মানুষ ও পরিবেশের নিরাপদ সহাবস্থান নিয়ে সতর্কবার্তা আরও জোরদার হয়েছে।
