এই বিদ্যালয়ের তৃতীয় ও চতুর্থ শ্রেণির পড়ুয়াদের নিয়মিত হাতের কাজ শেখানো হচ্ছে। শিক্ষকরা নিজেরাই উদ্যোগ নিয়ে পড়ুয়াদের নানান ধরনের কাজ শেখাচ্ছেন। কীভাবে ঘর সাজানোর জিনিস বানাতে হয়, তা ধাপে ধাপে বোঝানো হচ্ছে। পড়ুয়ারাও খুব আগ্রহের সঙ্গে এই কাজ শিখছে। ক্লাসরুমেই তৈরি হচ্ছে এক অন্যরকম শিক্ষার পরিবেশ। পড়ুয়াদের মুখে হাসি। তাদের চোখে শেখার আনন্দ। বইয়ের বাইরের এই শিক্ষা পড়ুয়াদের আত্মবিশ্বাস বাড়াচ্ছে। তারা নতুন কিছু ভাবতে শিখছে।
advertisement
বাড়ির ফেলে দেওয়া প্লাস্টিকের বোতল, খবরের কাগজ, কার্টন, নুড়ি পাথর- এসবই এখন পড়ুয়াদের কাজে লাগছে। এই সব পরিত্যক্ত জিনিস দিয়েই তারা তৈরি করছে ফুলদানি, শোপিস, কলমদানি, দেওয়াল সাজানোর সামগ্রীসহ নানা সৌখিন জিনিস। পরিবেশবান্ধব এই উদ্যোগে একদিকে যেমন সৃজনশীলতা বাড়ছে, তেমনই পড়ুয়ারা শিখছে পুনর্ব্যবহারের গুরুত্ব।
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
শুধু হাতের কাজ শেখানোতেই থেমে থাকেনি বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। পড়ুয়াদের তৈরি করা এই সমস্ত সৌখিন জিনিস সংরক্ষণের জন্য বিদ্যালয়ে গড়ে তোলা হয়েছে একটি হাতের কাজের সংগ্রহশালা। প্রতি বছর পড়ুয়াদের নিয়ে আয়োজন করা হয় হাতের কাজের প্রতিযোগিতা। প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্থানাধিকারীদের পুরস্কৃত করা হয়। এতে পড়ুয়াদের উৎসাহ আরও বাড়ে। পাঠ্যবইয়ের বাইরে গিয়ে সৃজনশীলতার এমন পাঠ শিক্ষামহলে প্রশংসিত হয়েছে। খুশি অভিভাবকরাও। তারা মনে করছেন, এই শিক্ষা তাদের সন্তানের ভবিষ্যৎ গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেবে।





