স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ব্রজলাল চকের দিক থেকে আসা ঘাতক ট্যাঙ্করটি তালপুকুর বাসস্ট্যান্ডের কাছে আসতেই আচমকা নিয়ন্ত্রণ হারায়। প্রথমে রাস্তার মাঝে ডিভাইডারে ধাক্কা মারে। পরে বেপরোয়া গতিতে থাকা যানটি প্রথমে রাস্তার ধারে থাকা একটি মাংসের দোকানে ধাক্কা মারে। এরপর পর্যায়ক্রমে একটি সবজি দোকান এবং একটি মিষ্টির দোকানের একাংশ গুঁড়িয়ে দিয়ে ভিতরে ঢুকে যায়।
advertisement
আরও পড়ুন: কাঁথির কাজু শিল্পে বিরাট পরিকল্পনা! নতুন সিদ্ধান্তে বাড়বে লাভ-কর্মসংস্থান দুটোই, জানুন বিস্তারিত
মিষ্টির দোকান ও সবজি বাজারে সেই সময় ভিড় থাকায় সাধারণ মানুষ পালানোর সুযোগটুকুও পাননি। মুহূর্তের মধ্যে এলাকা আর্তনাদে ভরে ওঠে। ঘাতক ট্যাঙ্কারটির ধাক্কায় দুমড়ে-মুচড়ে গিয়েছে একটি বাইকও। জানা গিয়েছে, আহতদের মধ্যে একজন বাইক আরোহী এবং একজন বিহারের বাসিন্দা রয়েছেন। বাকিরা সকলেই স্থানীয় বাসিন্দা। দুর্ঘটনার খবর পাওয়া মাত্রই স্থানীয় বাসিন্দারা উদ্ধারকাজে হাত লাগান। আহতদের হাসপাতালে পাঠানোর ব্যবস্থা করা হয়। পরিস্থিতি এতটাই আশঙ্কাজনক ছিল যে, প্রাথমিক চিকিৎসার পর বেশ কয়েকজনকে তাম্রলিপ্ত গভারমেন্ট মেডিক্যাল কলেজ অ্যান্ড হাসপাতালে এবং কলকাতায় স্থানান্তরিত করা হয়। চিকিৎসকদের মতে, আহতদের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা অত্যন্ত সংকটজনক।
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
পূর্ব মেদিনীপুর জেলা পুলিশ সূত্রে জানা যায়, এই ঘটনায় এখনও পর্যন্ত মৃতের সংখ্যা এক। মৃতের পরিচয় জানা যায়নি। এর পাশাপাশি এই পথ দুর্ঘটনায় গুরুতর জখম হয়েছে ছয় জন। তাদের মধ্যে দু’জনের পরিচয় জানা গিয়েছে। একজন তমলুক থানার শিমুলিয়া গ্রামের বাসিন্দা সুরজ মল্লিক। অন্যজন হলদিয়া ভবানীপুর থানা এলাকার শেখ নূর ইসলাম। মৃত ওই ব্যক্তির পাশাপাশি আহতদের পরিচয় উদ্ধারের সচেষ্ট হয়েছে পুলিশ। এই ভয়ঙ্কর দুর্ঘটনা ঘটার পর এলাকায় ব্যাপক উত্তেজনা ছড়ায়। পুলিশ ঘাতক ট্যাঙ্কটিকে আটক করেছে।





