TRENDING:

Chaitra Sale: চৈত্র সেলে এবার 'ভোটের' কোপ, নির্বাচনের দিন ঘোষণার পরেই ফ্যাকাশে তমলুকের বাজার! মাল তুলে পস্তানোর আশঙ্কায় ব্যবসায়ীরা

Last Updated:

East Medinipur Chaitra Sale: বছরের শেষ মাসে এসে কেনাকাটার ধুম বাড়ে বাঙালির। চৈত্র সেলে বড় ছাড়ে পোষাক সহ নানা জিনিস কিনতে বাজারে উপচে পড়ে ভিড়। কিন্তু নির্বাচন ঘোষণা হওয়ার পরে এবছরের চৈত্র সেলে বেচাকেনা ধাক্কা খাওয়ার আশঙ্কা ব্যবসায়ীদের।

impactshort
ইমপ্যাক্ট শর্টসলেটেস্ট খবরের জন্য
advertisement
তমলুক, সৈকত শী: বাংলা ক্যালেন্ডারের পাতা বলছে চৈত্র মাস চলছে। আর চৈত্র মাস মানেই বাঙালির কাছে এক চিরন্তন আবেগের নাম ‘চৈত্র সেল’। সারা বছর যে যেমনই কেনাকাটা করুন না কেন, বছরের শেষ মাসের এই ছাড়ের বাজারে একবার ঢুঁ না মারলে বাঙালির ঠিক মন ভরে না। কিন্তু এবারের ছবিটা যেন একটু অন্যরকম হওয়ার আশঙ্কা করছেন ব্যবসায়ীরা। কারণ রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচন। এই নির্বাচনের নির্ঘণ্ট প্রকাশ হতেই কপালে চিন্তার ভাঁজ পড়েছে পূর্ব মেদিনীপুরের ব্যবসায়ীদের। রাজনৈতিক উত্তাপ যত বাড়ছে, চৈত্র সেলের বাজারে মন্দার আশঙ্কা ততই ঘনীভূত হচ্ছে।
advertisement

পূর্ব মেদিনীপুর জেলার অন্যতম প্রধান বাণিজ্যিক কেন্দ্র তমলুকের রাধারানী বাজার। শাড়ি, ছোটদের পোশাক থেকে শুরু করে জুতোর দোকান, চৈত্র মাসের এই সময়টায় তিল ধারণের জায়গা থাকে না এখানে। পূর্ব মেদিনীপুর ছাড়াও হাওড়া, হুগলি ঝাড়গ্রাম, পুরুলিয়া, বাঁকুড়া সহ দক্ষিণবঙ্গের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ক্রেতা বিক্রেতারা আসেন। কিন্তু এবার নির্বাচনের নির্ঘণ্ট আর রাজনৈতিক দলগুলির প্রচারের ব্যস্ততা যেন বাজারের চিরাচরিত ছন্দে তালভঙ্গ করেছে। ব্যবসায়ীদের মতে, ভোটের আবহে মানুষের মনঃসংযোগ এখন রাজনীতির দিকে। ব্যবসায়ীদের দুশ্চিন্তার পিছনে মূলত তিনটি কারণ কাজ করছে। ভোটের সময় বিভিন্ন এলাকায় কড়া পুলিশি নজরদারি এবং যান চলাচলের বিধিনিষেধ থাকে। ফলে দূর-দূরান্তের ক্রেতারা বাজারে আসতে কুণ্ঠাবোধ করছেন।

advertisement

আরও পড়ুন: কালো জিরের কামাল, বেড়ো গ্রামের এই নাস্তার প্রেমে মজেছে আট থেকে আশি! প্রতিদিন বিকেলে ‘ভাবরা ভাজা’ খেতে লম্বা লাইন

নির্বাচনের সময় বাজারে নগদ প্রবাহের ওপর কড়াকড়ি থাকে। মধ্যবিত্ত মানুষ এই সময় বড়সড় কেনাকাটা এড়িয়ে চলতেই পছন্দ করেন। রাজনৈতিক প্রচার ও মিটিং-মিছিলের কারণে সাধারণ মানুষের কেনাকাটার ফুরসত কমছে। রাধারানী বাজারের ছোট-বড় সব মাপের বিক্রেতারাই এখন আশঙ্কায় দিন গুনছেন। জনৈক কাপড় ব্যবসায়ীর কথায়, “চৈত্র সেলের লাভের মুখ দেখেই আমরা সারা বছরের অনেক ঘাটতি মেটাই। কিন্তু এবার ভোটের নির্ঘণ্ট ঘোষণা হতেই ক্রেতাদের মধ্যে সেই চনমনে ভাবটা দেখা যাচ্ছে না। মাল তুলেছি প্রচুর, কিন্তু যদি খদ্দেরই না আসে, তবে সব লোকসান।”

advertisement

View More

আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন

সেরা ভিডিও

আরও দেখুন
কঠিন সময়ে মাত্র এক টাকায় মিলবে সুরক্ষা, জগদ্দলের স্কুলে এবার প্যাড ভেন্ডিং মেশিন
আরও দেখুন

প্রকাশ হয়েছে নির্বাচনের নির্ঘন্ট। রাজনৈতিক দলগুলির প্রচার ব্যস্ততা শুরু হয়েছে। রাজ্যজুড়ে বিধানসভা নির্বাচন। আর এই বিধানসভা নির্বাচনে ধাক্কা খেতে পারে চৈত্র সেলের বাজার। বাঙালি ক্রেতা-বিক্রেতারা সারা বছর চৈত্র মাসের অপেক্ষা করে থাকে। বাঙালি ক্রেতা-বিক্রেতাদের কাছে চৈত্র সেল কেবল বেচাকেনা নয়, এক ধরণের সামাজিক উৎসবও বটে। কিন্তু রাজনৈতিক ডামাডোলে সেই উৎসবে ভাটা পড়ার আশঙ্কা প্রবল। শেষ পর্যন্ত ভোটের ময়দান ছাপিয়ে বাজারের ব্যাগ হাতে ক্রেতারা ভিড় জমান কি না, এখন সেটাই দেখার। রাধামনি বাজারের বিভিন্ন ব্যবসায়ীদের আশঙ্কা চৈত্র সেলের বাজার ধাক্কা খাবে।

advertisement

Click here to add News18 as your preferred news source on Google.
কলকাতা এবং পশ্চিমবঙ্গের সব লেটেস্ট ব্রেকিং নিউজ পাবেন নিউজ 18 বাংলায় ৷  দেখুন ব্রেকিং নিউজ এবং সব গুরুত্বপূর্ণ খবর নিউজ 18 বাংলার লাইভ টিভিতে ৷ এর পাশাপাশি সব খবরের আপডেট পেতে ডাউনলোড করতে পারেন নিউজ 18 বাংলার অ্যাপ ৷  News18 Bangla-কে গুগলে ফলো করতে  ক্লিক করুন এখানে ৷ 
বাংলা খবর/ খবর/পশ্চিমবঙ্গ/
Chaitra Sale: চৈত্র সেলে এবার 'ভোটের' কোপ, নির্বাচনের দিন ঘোষণার পরেই ফ্যাকাশে তমলুকের বাজার! মাল তুলে পস্তানোর আশঙ্কায় ব্যবসায়ীরা
Open in App
হোম
খবর
ফটো
লোকাল