অভিযোগ, ওই ব্যক্তি রাজ্য ও কেন্দ্র সরকারের উচ্চপদস্থ আধিকারিক পরিচয় দিয়ে রাজনৈতিক নেতাদের কাছ থেকে তথ্য ও টাকা হাতিয়ে নেওয়ার চেষ্টা এবং এলাকার যুবকদের কর্মসংস্থানের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল। অভিযুক্ত ইফসাল আহমেদ উত্তর ২৪ পরগনার অশোকনগর থানার ট্যাংরা কাঠপুল এলাকার বাসিন্দা। জেলা পুলিশ সূত্রে জানা যায়, শুধু শাসকদলের নেতাকর্মীদের না, অন্যান্য রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীদেরকেও এই টোপ দিয়েছিল অভিযুক্ত। থানায় অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ তদন্ত নেমে গ্রেফতার করেছে।
advertisement
আরও পড়ুন: জঙ্গল-জল বাদেও রোজগার! সুন্দরবনের ঘরে ঘরে এখন বিকল্প আয়ের জোয়ার
পুলিশ সূত্রে আরও জানা যায়, চলতি মাসের ৬ ফেব্রুয়ারি পটাশপুর–১ পঞ্চায়েত সমিতির পূর্ত কর্মাধ্যক্ষ বিনয় পট্টনায়েকের কাছে ফোন আসে এক অচেনা নম্বর থেকে। নিজেকে জেলা পরিষদের আধিকারিক পরিচয় দিয়ে ফোনের অপর প্রান্তের ব্যক্তি ব্লকের বিভিন্ন গ্রামপঞ্চায়েতের প্রধান–উপপ্রধানদের ব্যক্তিগত তথ্য চান। সন্দেহ হওয়ায় বিনয় তথ্য দিতে অস্বীকার করলে, অভিযুক্ত তাঁকে হুমকি দেয় বলেও অভিযোগ। পরবর্তীতে ৯ ফেব্রুয়ারি পটাশপুর থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়। জেলা পুলিশের সাইবার ক্রাইম শাখা ও পটাশপুর থানা যৌথ উদ্যোগে তদন্তে নেমে অশোকনগর থেকে ইফসাল আহমেদকে গ্রেফতার করে। তাঁর বিরুদ্ধে ভুয়ো পরিচয়, প্রতারণা ও হুমকির ধারায় মামলা রুজু হয়েছে।
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
পূর্ব মেদিনীপুরের ভারপ্রাপ্ত পুলিশ সুপার মিতুন কুমার দে জানান, “সম্প্রতি সরকারি আধিকারিক সেজে প্রতারণার নতুন পদ্ধতি সামনে এসেছে। অভিযোগের ভিত্তিতে দ্রুত তদন্ত করে অভিযুক্তকে গ্রেফতার করা হয়েছে। আরও কেউ জড়িত কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। ইফসাল কখনও নিজেকে নবান্নের কর্মী, কখনও আবার কেন্দ্রীয় আধিকারিক পরিচয় দিয়ে বিভিন্ন দলের প্রভাবশালী নেতাদের সঙ্গে যোগাযোগ করতেন। তাঁদের মাধ্যমে এলাকার যুবকদের চাকরি দেওয়ার আশ্বাসে টাকা চাইতেন বলেই অভিযোগ। তাঁকে কাঁথি মহকুমা আদালতে তোলা হলে বিচারক সাত দিনের পুলিশ হেফাজতের নির্দেশ দেন।” পূর্ব মেদিনীপুর জেলা পুলিশ সাধারণ মানুষকে এ বিষয়ে সতর্ক করতে উপযুক্ত পদক্ষেপ নিয়েছে।






