জানা গিয়েছে, জেলাজুড়ে এদিন সন্ধ্যার পর হঠাৎই কালবৈশাখী তাণ্ডব দেখায়। হাওয়া অফিসের পূর্বাভাস মতো শুরু হয় ঝড়। শুক্রবার রাত সাড়ে দশটা নাগাদ প্রবল ঝড়বৃষ্টি শুরু হয়। ঝড়ের তীব্রতা এতটাই ছিল যে শহরের বিভিন্ন প্রান্তে বাসন্তী পুজোর প্যান্ডেল ও তোরণ ভেঙে পড়ে। সেই সময় গুড়গুড়িপাল থানার অন্তর্গত জঙ্গল লাগোয়া রাস্তায় টহল দিচ্ছিল পুলিশের একটি ভ্যান। আচমকাই একটি গাছের ডাল সজোরে গাড়ির উপর আছড়ে পড়ে। চোখের সামনে দুমড়ে-মুচড়ে যায় পুলিশের গাড়িটি।
advertisement
আরও পড়ুনঃ নেই কোনও হাসপাতাল! গুরুতর রোগীকে নিয়ে ছুটতে হয় শহরে, মন্তেশ্বরে লক্ষাধিক মানুষের চিকিৎসা আতান্তরে
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে খবর, ভিতরে আটকে পড়া চার পুলিশ কর্মীকে রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করে মেদিনীপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। সেখানে চিকিৎসকরা সন্তোষবাবুকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। আহত তিনজনের মধ্যে একজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাঁকে তড়িঘড়ি কলকাতায় পাঠানোর ব্যবস্থা করা হয়।
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
খবর পেয়ে হাসপাতালে পৌঁছান জেলা পুলিশ সুপার পাপিয়া সুলতানা ও অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর) সৌতম বন্দ্যোপাধ্যায়। অন্যদিকে, দুর্যোগের পর মেদিনীপুর শহরের সার্বিক পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে রাস্তায় বের হন জেলা তৃণমূল সভাপতি তথা প্রার্থী সুজয় হাজরা। কনস্টেবলের আকস্মিক মৃত্যুতে জেলা পুলিশ মহলে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।






