TRENDING:

Weekend Trip: চুপি এখন অতীত! বর্ধমানেই হদিশ মিলল নতুন পাখিরালয়ের, সপ্তাহান্তে ঘুরে আসুন, মন ভরে যাবে গ্যারান্টি

Last Updated:

East Bardhaman Weekend Trip: শীতের মরশুমে পরিযায়ী পাখিদের দেখতে আর দূরে কোথাও যাওয়া নয়, বর্ধমান জেলাতেই খোঁজ মিলল এক নতুন পাখিরালয়ের। হরেক প্রজাতির পাখির কলকাকলিতে মুখর এই অঞ্চলটি পর্যটকদের কাছে নতুন আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠছে।

impactshort
ইমপ্যাক্ট শর্টসলেটেস্ট খবরের জন্য
advertisement
কাটোয়া, পূর্ব বর্ধমান, বনোয়ারীলাল চৌধুরী: পরিযায়ী পাখির নাম শুনলেই স্বাভাবিকভাবেই মনে পড়ে পূর্ব বর্ধমান জেলার চুপি পাখিরালয়ের কথা। প্রতি বছর শীত এলেই সেখানে ভিড় করেন প্রকৃতি প্রেমী থেকে শুরু করে চিত্রগ্রাহকরা। তবে এবার চুপির বাইরে পূর্ব বর্ধমান জেলার আরও এক জায়গায় চোখ ধাঁধানো পরিযায়ী পাখির দেখা মিলেছে, যা ইতিমধ্যেই নজর কেড়েছে পাখিপ্রেমীদের।
advertisement

কাটোয়া শহর থেকে নামমাত্র দূরত্বে ভাগীরথী নদীর বুকে তৈরি হয়েছে এক বালির চর। দূর থেকে দেখলে মনে হবে নদীর মাঝখানে শুধু একটা নির্জন দ্বীপ। কিন্তু নৌকা নিয়ে কাছে যেতেই চোখ জুড়িয়ে যাবে যে কারও। ঝাঁক ঝাঁক পরিযায়ী পাখির কলতানে হঠাৎ করেই বদলে যাবে পুরো দৃশ্যপট। স্থানীয়দের কাছে এই জায়গার নাম ছেঁড়াখাল। কাটোয়া শহরের বাসিন্দা সৌম্য রুদ্র ব্যানার্জী এই জায়গা প্রসঙ্গে বলেন, “এই জায়গাগুলো এক একটা দ্বীপ। এখানে পাখিদের বিরক্ত করার কেউ নেই। আর পরিযায়ী পাখিরা সাধারণত ফাঁকা জায়গায় বেশি পছন্দ করে। এখানে প্রচুর প্রচুর পাখি রয়েছে। কারও ইচ্ছা হলে একটা ছোট্ট ট্রিপ করতেই পারে।”

advertisement

আরও পড়ুন: আয়ু এক-দু’বছর নয়, পুরো ৪০! দাম ১৫০০ টাকা, এই বিশেষ গাছ এবার চমক দিচ্ছে শিলিগুড়ির ফুল মেলায়

ভাগীরথী নদীর একেবারে মাঝখানে থাকা এই বালির চরেই বর্তমানে দেখা মিলছে অসংখ্য পরিযায়ী পাখির। বিশেষ করে নজর কাড়ছে ঝাঁক ঝাঁক ব্রাহ্মণী হাঁস। এই পাখির ইংরেজি নাম রুডি সেলডাক। কমলা-বাদামি রঙের এই হাঁসেরা বালির চরে দল বেঁধে ঘুরে বেড়াচ্ছে, সেই দৃশ্য সত্যিই সুন্দর। ব্রাহ্মণী হাঁস ছাড়াও এখানে দেখা যাচ্ছে অস্প্রে, রিভার ল্যাপউইং, ওয়াগটেইল-সহ নানা প্রজাতির পরিযায়ী পাখি।

advertisement

View More

আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন

সেরা ভিডিও

আরও দেখুন
সুন্দরবনে বিরল দৃশ্য...! রয়্যাল বেঙ্গল টাইগার ও ডলফিনের জোড়া দর্শন, খুশি পর্যটকেরা
আরও দেখুন

স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, গত সাত থেকে আট বছর ধরে শীতের মরশুমে পরিযায়ী পাখিরা নিয়মিত এই জায়গাটিকে আশ্রয় হিসেবে বেছে নিচ্ছে। কারণ হিসেবে জানা যাচ্ছে, এই এলাকায় পাখিদের বিরক্ত করার মতো তেমন কেউ থাকে না। সংলগ্ন স্থানীয় মানুষজনও যথেষ্ট সচেতন, কেউ শিকার করেন না। পাশাপাশি বন দফতরের তরফ থেকেও নিয়মিত নজরদারি চালানো হয়। সকাল কিংবা বিকেলের নরম আলোয় একবার ঘুরে আসতেই পারেন কাটোয়া সংলগ্ন এই অপরূপ জায়গায়। হাতে একটু সময় থাকলে বন্ধুদের নিয়ে করা যেতে পারে এক ঝটপট ট্রিপ। নৌকা নিয়ে সহজেই পৌঁছনো যাবে ছেঁড়াখালে। নৌকার জন্য যোগাযোগ করা যেতে পারে ৮৯৬৭৭ ৬৭২৩৪ নম্বরে। প্রকৃতির কোলে, নদীর মাঝখানে দাঁড়িয়ে পরিযায়ী পাখিদের এমন মনভোলানো দৃশ্য, কাটোয়ার এত কাছেই যে লুকিয়ে আছে, তা না দেখলে বিশ্বাস করা কঠিন।

advertisement

বাংলা খবর/ খবর/পশ্চিমবঙ্গ/
Weekend Trip: চুপি এখন অতীত! বর্ধমানেই হদিশ মিলল নতুন পাখিরালয়ের, সপ্তাহান্তে ঘুরে আসুন, মন ভরে যাবে গ্যারান্টি
Advertisement
Open in App
হোম
খবর
ফটো
লোকাল