রাজস্থানের জলাশয়ের মাঝে চাতুরি বা ‘হাওয়া মহল’-এর আদলে তৈরি এই জলটুঙ্গি তাঁর স্ত্রীকে পাঞ্জাবের পরিবেশের স্মৃতি এনে দেওয়ার উদ্দেশ্যে তৈরি হয়েছিল। চাঁদনী জলটুঙ্গি তার ঐতিহাসিক গুরুত্ব, স্থাপত্যশৈলী এবং চারপাশের প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের জন্য আজ পূর্ব বর্ধমানের একটি উল্লেখযোগ্য পর্যটন কেন্দ্র হয়ে উঠেছে। এখানে পর্যটকদের জন্য থাকা-খাওয়ার ভাল ব্যবস্থা রয়েছে। এসি ও নন-এসি দুই ধরনের রুমই পাওয়া যায়।
advertisement
আরও পড়ুন: এবার সুন্দরবন ভ্রমণ হবে আরও মজাদার, হু-হু করে বাড়ছে কুমিরের সংখ্যা! সেমিনারে ফাঁস হল বড় তথ্য
প্যাকেজ সিস্টেমে খাওয়াদাওয়ার ব্যবস্থাও রয়েছে। সাহিত্যিক রাধামাধব মণ্ডল বলেন, “সত্যিই এটা দেখার মত জায়গা। এই জায়গার সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে বহু ইতিহাস।” এখানে নন-এসি রুম ভাড়া দু’হাজার টাকা এবং এসি রুম আড়াই হাজার টাকা। এছাড়া একজনের জন্য চারবেলা খাবারের খরচ ৭০০ টাকা। সাধারণ দর্শনার্থীদের জন্য এই জায়গা খোলা থাকে সকাল সাতটা থেকে দুপুর বারোটা পর্যন্ত।
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
ঘুরতে এলে পর্যটকদের সত্যিই ভাল লাগবে এবং চাঁদনী জলটুঙ্গির সন্ধ্যার আলোময় দৃশ্য মনকে করবে মুগ্ধ। কলকাতা থেকে মাত্র প্রায় ১৩৬ কিমি দূরে অবস্থিত এই মনোরম জলটুঙ্গি। পূর্ব বর্ধমানের গুসকরা শহর থেকে খুব সহজেই পৌঁছে যাওয়া যায়। রুম বুকিংয়ের জন্য যোগাযোগ করতে হবে এই নম্বরে +919748411871। চাঁদনী জলটুঙ্গিকে কেন্দ্র করে আশেপাশের আরও কয়েকটি জায়গা ঘুরে দেখা যায়। যার মধ্যে উল্লেখযোগ্য ওড়গ্রাম এয়ারফিল্ড, ডোকরা গ্রাম, কালিকাপুর রাজবাড়ি, ভালকী মাচান প্রভৃতি।





