TRENDING:

East Bardhaman News: বাবার হাত ধরে স্কুল যাওয়া হল না, রক্তাক্ত ইউনিফর্ম দেখে চোখের জল ধরে রাখতে পারছে না কালনা! দিদি লড়ছে যমের সঙ্গে

Last Updated:

East BArdhaman News: বাবার হাত ধরে স্কুলে যাওয়া আর হল না, ডাম্পারের ধাক্কায় নিভে গেল ছয় বছরের রেহানের জীবন। গুরুতর আহত দিদিকে চিকিৎসার জন্য পাঠানো হয়েছে কলকাতায়। পরিবারের সদস্যদের কান্না যেন থামছেই না।

impactshort
ইমপ্যাক্ট শর্টসলেটেস্ট খবরের জন্য
advertisement
কালনা, পূর্ব বর্ধমান, বনোয়ারীলাল চৌধুরী: বাবার হাত ধরে স্কুলে যাওয়া আর হল না, ডাম্পারের ধাক্কায় নিভে গেল ছয় বছরের রেহানের জীবন। সকালটা ছিল অন্য দিনের মতোই স্বাভাবিক। বাবার সঙ্গে মোটরবাইকে চেপে স্কুলে যাচ্ছিল দুই খুদে ভাইবোন। কিন্তু সেই স্কুলযাত্রা পরিণত হল এক মর্মান্তিক দুর্ঘটনায়। ঘটনায় মৃত্যু হল ছয় বছরের রেহান দত্তের।
কালনা হাসপাতালে ভিড় করেছেন আত্মীয় পরিজনরা
কালনা হাসপাতালে ভিড় করেছেন আত্মীয় পরিজনরা
advertisement

গুরুতর জখম অবস্থায় তার দিদি রুহি দত্তকে প্রথমে কালনা মহকুমা হাসপাতালে ভর্তি করা হলেও পরে আশঙ্কাজনক অবস্থায় কলকাতায় স্থানান্তর করা হয়। যথারীতি এই ঘটনায় শোকস্তব্ধ সমগ্র এলাকা। বুধবার নাদনঘাট থানার অন্তর্গত সমুদ্রগড় গৌরাঙ্গপাড়া এলাকায় দুর্ঘটনাটি ঘটে। মৃত ছাত্র রেহান দত্ত (৬) এর বাড়ি নশরতপুর পঞ্চায়েতর পারুলডাঙ্গা এলাকায়।

আরও পড়ুন: কাজের প্রলোভনে নরকযন্ত্রণা, ভিন রাজ্য থেকে আনা হয়েছিল শিশুদের! বারুইপুরে কারখানায় বেআইনি কারবারের রমরমা

advertisement

জানা গিয়েছে, এদিন সকালে বাবা রাজু দত্ত তাঁর ছেলে রেহান ও মেয়ে রুহিকে নিয়ে মোটরবাইকে করে শ্রীচৈতন্য হলি চাইল্ড স্কুল-এ যাচ্ছিলেন। পথে হঠাৎই পিছন দিক থেকে একটি ডাম্পার এসে ধাক্কা মারে মোটর বাইকটিকে। রাস্তায় ছিটকে পড়ে যায় ভাইবোন। স্থানীয়রা দ্রুত তাঁদের উদ্ধার করে নিয়ে আসেন কালনা মহকুমা হাসপাতালে। কিন্তু চিকিৎসকদের সমস্ত চেষ্টা ব্যর্থ করে সেখানেই শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করে ছোট্ট রেহান।

advertisement

View More

আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন

সেরা ভিডিও

আরও দেখুন
মিশরের মানুষ ভারতকে চেনেন দুই তারকা অভিনেতার সৌজন্যে! হাওড়ার তিন অভি‌যাত্রী যা জানালেন...
আরও দেখুন

আশঙ্কাজনক অবস্থায় রুহিকে বুধবার দুপুরে কলকাতায় স্থানান্তর করা হয় উন্নত চিকিৎসার জন্য। বুধবার দুপুর সাড়ে তিনটে নাগাদ রেহানের দেহ ময়নাতদন্তের জন্য কালনা মহকুমা হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়। হাসিখুশি একটি পরিবারে মুহূর্তের মধ্যে নেমে এসেছে গভীর অন্ধকার। যে পথে বই-খাতা নিয়ে স্কুলে যাওয়ার কথা ছিল, সেই পথেই থেমে গেল এক শিশুর জীবন। ঘটনায় এলাকাজুড়ে নেমেছে শোকের ছায়া। চোখের জলে ভেসেছে পরিবার, প্রতিবেশী ও স্কুলপড়ুয়ার বন্ধুরা।

advertisement

বাংলা খবর/ খবর/পশ্চিমবঙ্গ/
East Bardhaman News: বাবার হাত ধরে স্কুল যাওয়া হল না, রক্তাক্ত ইউনিফর্ম দেখে চোখের জল ধরে রাখতে পারছে না কালনা! দিদি লড়ছে যমের সঙ্গে
Open in App
হোম
খবর
ফটো
লোকাল