৭৪তম জন্মদিনে কবিগুরু নিজে প্রবেশ করেছিলেন সেই শ্যামলী বাড়িতে। আজও শ্যামলী শান্তিনিকেতনের ঐতিহ্য ও শিল্পভাবনার এক উজ্জ্বল স্মারক। সেই ঐতিহ্যকেই নতুনভাবে জীবন্ত করে তুললেন পূর্ব বর্ধমানের মঙ্গলকোটের সুখপুকুরিয়া গ্রামের শিল্পী রুদ্রপ্রসাদ ঘটক ও তাঁর স্ত্রী বিজয়া ঘটক। দুজনেই বিশ্বভারতীর কলা ভবনের প্রাক্তনী। স্বামী-স্ত্রীর সম্মিলিত প্রয়াসে তাঁদের বাড়িতেই তৈরি হয়েছে শ্যামলী বাড়ির এক অপূর্ব রেপ্লিকা।
advertisement
আরও পড়ুন: আনাচে-কানাচে লুকিয়ে থাকা এই ৪ খাবারের স্বাদ না নিলে দার্জিলিং ঘোরা মাটি! দেখে নিন তালিকা
রুদ্রপ্রসাদ ঘটক বলেন, “ক্ষুদ্র আকারে এই শ্যামলী বাড়ির রেপ্লিকা তৈরি করে এখনকার সমাজে একটা ছাপ ফেলে রাখার জন্যই আমাদের এই উদ্যোগ। “মাটি, খড়, সুপারি গাছের ছালসহ বিভিন্ন প্রাকৃতিক উপাদান ব্যবহার করে সম্পূর্ণ পরিবেশবান্ধব উপায়ে নির্মিত হয়েছে এই শিল্পকর্ম। মাত্র ৭ ইঞ্চি উচ্চতা, ১৮ ইঞ্চি দৈর্ঘ্য এবং ১৬ ইঞ্চি প্রস্থের এই ক্ষুদ্রাকৃতির বাড়িটিতে ফুটে উঠেছে শ্যামলীর নান্দনিক কারুকাজ ও স্থাপত্যের সূক্ষ্ম বৈশিষ্ট্য।
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
বিজয়া ঘটক বলেন, “আমরা স্বামী স্ত্রী দুজনে মিলেই এই রেপ্লিকা তৈরি করেছি। তবে একদিনে হয়নি, তৈরি করতে বেশ কিছুদিন সময় লেগেছে।” উল্লেখ্য, রুদ্রপ্রসাদ ঘটক এর আগেও আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি অর্জন করেছেন। তিন বছর আগে স্পিড পেন্টিংয়ের জন্য তিনি লন্ডন বুক অফ ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসে স্থান করে নেন। ২০২২ সালে তিনি লাভ করেন ‘ভারতীয় কলা সম্মান’ ও ‘ভারতীয় কলা রত্ন’ পুরস্কার। ঐতিহ্যের প্রতি শ্রদ্ধা ও শিল্পের প্রতি নিবেদন এই দুইয়ের মেলবন্ধনে ঘটক দম্পতির তৈরি শ্যামলীর রেপ্লিকা আজ সত্যিই তাক লাগিয়ে দিচ্ছে শিল্পমহলকে।





