দোকানের কর্ণধার দিবাকর ঘোষের কথায়, লাভ খুব বেশি থাকে না। তবুও মানুষের কথা ভেবেই তিনি এই ব্যবস্থা চালু করেছেন। তাঁর কথায়, হাসপাতালে বহু মানুষ দূর-দূরান্ত থেকে রোগী নিয়ে আসেন। অনেকের হাতেই পর্যাপ্ত টাকা থাকে না। সেই কথা মাথায় রেখেই প্রথমে চারটি লুচি দেওয়া শুরু হয়েছিল। পরে ক্রেতাদের অনুরোধে আরও একটি বাড়িয়ে পাঁচটি করা হয়েছে। ভবিষ্যতে প্রয়োজন হলে পরিমাণ আরও বাড়ানোর কথাও ভাবছেন তিনি।
advertisement
এই স্বল্পমূল্যের খাবার পেয়ে খুশি সাধারণ মানুষ। একাধিক ক্রেতার বক্তব্য, বর্তমান বাজারদরে ১০ টাকায় প্রায় কিছুই মেলে না। সেখানে গরম লুচি ও আনলিমিটেড চানা মশলা পাওয়া সত্যিই প্রশংসনীয় উদ্যোগ। বিশেষ করে রোগী ও তাঁদের পরিবারের সদস্যদের কাছে এই দোকান যেন বড় স্বস্তির জায়গা হয়ে উঠেছে।
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
কুমারেশ সরকার নামের এক ক্রেতা বলেন, “অল্প দামে এই খাবার পাওয়া যাচ্ছে এটা সত্যিই বেশ ভাল। অনেকের এতে সুবিধা হবে, খাবারের স্বাদ এবং মানও বেশ ভাল।” স্থানীয়দের মতে, মানবিক মনোভাব থেকেই এই উদ্যোগের জনপ্রিয়তা দ্রুত বেড়েছে। বাজারের ঊর্ধ্বগতির মাঝেও সামান্য লাভ রেখে মানুষের পাশে দাঁড়ানো যায়, দিবাকরবাবুর এই প্রচেষ্টা তারই প্রমাণ। তাই এই লুচির দোকান এখন শুধু খাবারের জন্য নয়, মানবিকতার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত হিসেবেও পরিচিত হয়ে উঠেছে।





