এ ব্যাপারে বর্ধমান পুরসভার চেয়ারম্যান পরেশচন্দ্র সরকার জানান, বর্ধমান শহর থেকে অনেকেই দিঘায় যান। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উদ্যোগে জগন্নাথ মন্দির তৈরির পর দিঘা যাওয়ার আগ্রহ অনেকটাই বেড়ে গিয়েছে। সেখানে গিয়ে যাতে থাকার জন্য বাসিন্দাদের ঘর পেতে কোনও অসুবিধা না হয় তা নিশ্চিত করতেই আমরা দিঘায় হলি ডে হোম চালুর উদ্যোগ নিয়েছি। পুজোর আগেই সেই হলি ডে হোম চালু হয়ে যাবে। শহরের বাসিন্দাদের আয়ত্ত্বের মধ্যেই হলি ডে হোমের ভাড়া ধার্য করা হবে। পুরসভার এই উদ্যোগে খুশি শহরের বাসিন্দারা। তাঁরা বলছেন, পুজো বা অন্যান্য ছুটির সময় আমাদের কাছের গন্তব্য দিঘা। কিন্তু সেই সব সময় থাকার জন্য ঘর পাওয়া সমস্যার হয়ে দাঁড়ায়। আকাশ ছোঁয়া ভাড়া চাওয়া হয়। পৌরসভা পরিচালিত হলি ডে হোম চালু হলে সেই সমস্যা থেকে রেহাই মিলবে।
advertisement
সি বিচের কাছাকাছি এলাকায় এই হলি ডে হোম হলে এবং সেখানে নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করা গেলে সারা বছরই হলি ডে হোমের চাহিদা থাকবে। তাছাড়া পুরসভায় আগাম ঘর বুক করে দিঘা ভ্রমণে যেতে পারবেন বর্ধমান শহরের বাসিন্দারা। দিঘার পাশাপাশি পুরী এবং দার্জিলিঙেও পুরসভা হলিডে হোম চালু করুক, চাইছেন বাসিন্দাদের অনেকেই।
পুরসভা সূত্রে জানা গিয়েছে, পুরীতে হলি ডে হোমের ব্যাপারটি ভাবনা চিন্তা স্তরে রয়েছে। দার্জিলিঙে হলিডে হোম চালুর প্রস্তারও এসেছে। তবে দিঘার বিষয়টি চূড়ান্ত হয়েছে। সেখানে এই হলি ডে হোম কতটা কার্যকর হয় দেখে নিয়ে পুরী বা উত্তরবঙ্গের কথা ভাবা হবে।
