তদন্তে পুলিশ জানতে পারে, এই চুরির পিছনে অভিযোগকারীর পরিচিত কেউ জড়িত থাকতে পারে। আবাসন চত্বর ও আশপাশে থাকা ১৩৫টিরও বেশি সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজ খতিয়ে দেখে এক সন্দেহভাজনকে চিহ্নিত করা হয়। পরে সংশ্লিষ্ট ফুটেজের সঙ্গে কল ডিটেইল রেকর্ড (CDR) বিশ্লেষণ করে অভিযুক্ত হর্ষবর্ধন শাও-এর গতিবিধিতে একাধিক অসঙ্গতি ধরা পড়ে।
আরও পড়ুনঃ অরিজিতের বাড়িতে আমির খান, উৎসবের মেজাজ জিয়াগঞ্জের অলিগলিতে
advertisement
জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, ২২ জানুয়ারি অভিযুক্ত অনলাইনে একটি মানি কাউন্টিং মেশিন কেনে এবং ইন্টারনেটে ইলেকট্রিক করাত খোঁজার তথ্যও মেলে। লাগাতার জেরার মুখে শেষ পর্যন্ত নিজের জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে হর্ষবর্ধন।
তার স্বীকারোক্তির ভিত্তিতে বিপুল পরিমাণ চুরি হওয়া সোনা ও নগদ অর্থ উদ্ধার ও বাজেয়াপ্ত করেছে পুলিশ। বাকি নগদ উদ্ধারের চেষ্টা চলছে। অভিযুক্ত বর্তমানে পুলিশ হেফাজতে রয়েছে ৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত।
