কোচবিহারের ঐতিহ্যবাহী এই মন্দির কবে প্রতিষ্ঠা হয়েছিল সেই বিষয়ে কোনও সঠিক সময় জানা যায় না। এই মন্দিরের স্থাপনা নিয়ে নানা মত রয়েছে। শোনা যায়, বানেশ্বর শিব মন্দির প্রতিষ্ঠার সঙ্গে অসুর সমাজের বানাসুরের নাম জড়িয়ে রয়েছে।
আরও পড়ুনঃ তুলাইপাঞ্জি চাষের সঠিক পদ্ধতি! কী করলে মিলতে পারে ভাল মানের ফসল, জানুন কৃষি দফতরের টিপস
advertisement
তবে জেলার প্রবীণরা মনে করেন, কোচ রাজ বংশের মহারাজ নর নারায়ণ এই মন্দির প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। পরবর্তীতে কোচবিহার রাজ্যের মহারাজ প্রাণ নারায়ণ সংস্কারকার্য করেন।
কোচবিহারের এই ঐতিহাসিক মন্দির সামান্য পূর্ব দিকে হেলা। জানা যায়, ১৮৯৭ সালের একটি ভূমিকম্পের সময় মন্দিরটি এই দিকে হেলে গিয়েছিল। এখনও একইরকম রয়েছে। বর্তমানে কোচবিহার দেবোত্তর ট্রাস্ট বোর্ড এই মন্দিরের সব কাজ দেখাশোনা করে।
বানেশ্বর শিব মন্দিরে শিব সহ বেশ কিছু দেবদেবীর মূর্তি রয়েছে। মন্দিরের মূল দালান থেকে প্রায় ১০ ফুট নীচে মন্দিরের গর্ভগৃহে শিবলিঙ্গ ও একটি গৌরীপাট আছে। মন্দিরের উত্তর দিকের একটি টিনের চালাঘরে রয়েছে শিব এবং অর্ধনারীশ্বরের মূর্তি। অন্য আরেকটি শেডে কালী সহ অন্যান্য বেশ কিছু মূর্তি আছে। এছাড়া প্রধান মন্দিরের ডান দিকে আছে সিমেন্ট নির্মিত একটি ষাঁড়।
সব মিলিয়ে, কোচবিহারের পর্যটন মানচিত্রের অন্যতম আকর্ষণ বানেশ্বর শিব মন্দির আজও রাজ আমলের স্মৃতি বহন করে চলেছে। লোকমুখে প্রচলিত, ঐতিহাসিক এই মন্দির অত্যন্ত জাগ্রত।
