শুধুমাত্র বিনামূল্যে প্রশিক্ষণই নয়, কম্পিউটার নির্ভর সর্বভারতীয় বিভিন্ন পরীক্ষাও এখান থেকে নেওয়া সম্ভব হবে। এতো বড় পরিকাঠামোর দিক থেকে দক্ষিণ বঙ্গের অন্যতম বৃহৎ এই কম্পিউটার সেন্টার, এমনই দাবি উদ্যোক্তাদের। এখানে শতাধিক কম্পিউটার রয়েছে। প্রশিক্ষণের জন্য শিক্ষক শিক্ষিকা নিয়োগ করা হয়েছে। এখনও পর্যন্ত আড়াইশো পড়ুয়া প্রশিক্ষণ নেওয়ার আবেদন জানিয়েছে।
বর্ধমান দক্ষিণের বিধায়ক খোকন দাস বলেন, এখন কম্পিউটার ছাড়া উচ্চশিক্ষা সম্ভব নয়। বেশির ভাগ চাকরির ক্ষেত্রেই কম্পিউটার জানা আবশ্যিক। তাই উচ্চ প্রাথমিক থেকেই পড়ুয়ারা যাতে কম্পিউটার সম্পর্কে প্রাথমিক জ্ঞান রপ্ত করতে পারে তা নিশ্চিত করতেই বিনামূল্যে কম্পিউটার প্রশিক্ষণ কেন্দ্র চালুর বিষয়টি ভাবনায় আসে। সেই ভাবনা থেকেই অত্যাধুনিক এই কম্পিউটার প্রশিক্ষণ কেন্দ্র গড়ে তোলা হয়েছে। এর ফলে আর্থিকভাবে পিছিয়ে পড়া পড়ুয়াদের কম্পিউটার প্রশিক্ষণ পাওয়ার ক্ষেত্রে আর কোনও সমস্যা থাকলো না। তবে শুধু পড়ুয়ারাই নয়, আমরা আগ্রহী বয়স্ক পুরুষ মহিলাদেরও বিনামূল্যে কম্পিউটার প্রশিক্ষণ দেবো।
advertisement
রবিবার এই কম্পিউটার প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন পূর্ব বর্ধমানের জেলাশাসক আয়েশা রানি এ, বর্ধমান পৌরসভার চেয়ারম্যান পরেশ চন্দ্র সরকার সহ শহরের বিশিষ্টজনেরা। আধুনিক শিক্ষার প্রসারে এই কম্পিউটার প্রশিক্ষণ কেন্দ্র গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেবে বলে আশা প্রকাশ করেন তাঁরা।
বর্ধমানের কঙ্কালেশ্বরী কালী মন্দির এখন শহরের অন্যতম পর্যটন কেন্দ্রে পরিণত হয়েছে। এখানে প্রতিদিন দশ টাকায় মা কঙ্কালেশ্বরীর অন্নভোগ খাওয়ানোর ব্যবস্থা করা হয়েছে। রাতেও পাঁচ টাকায় মিলছে খাবার। এছাড়াও শহর জুড়ে বয়স্ক, শারীরিক দিক দিয়ে অক্ষম পুরুষ মহিলাদের প্রতিদিন বিনামূল্যে রান্না করা খাবার পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে। এছাড়াও কঙ্কালেশ্বরী কালী মন্দির চত্বরে তৈরি হয়েছে বৃদ্ধাশ্রম নবনীড়। এবার এই মন্দিরে এই কম্পিউটার প্রশিক্ষণের কেন্দ্রের সাফল্যের মুকুটে নতুন পালক হিসেবে দেখা দিল।
