তৃণমূল কংগ্রেসের রাজ্য সাধারণ সম্পাদক কুণাল ঘোষ বলেন, ‘‘মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দিল্লি যাচ্ছেন। SIR বিপদ নিয়ে বারবার গোটা দেশে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দেখিয়েছেন। দিল্লি যাচ্ছেন মানে সর্বভারতীয় রাজনৈতিক ক্ষেত্রে সবাইকে নজর রাখতে হবে।’’
আরও পড়ুন- আজ সিঙ্গুরে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, কী বার্তা দেবেন? চূড়ান্ত আগ্রহ রাজনৈতিক মহলের
বিজেপি বিধায়ক শঙ্কর ঘোষ বলেন, ‘রাজ্যেই আর ওঁর কথা শোনার মতো কেউ নেই, SIR-বিরোধিতা করে রাস্তায় নেমেছিলেন, ফলে এখানে যিনি ব্যর্থ হয়েছেন, দিল্লিতে গিয়ে এখন ফাঁকা মাঠে বসে কী করবেন, আমি বলতে পারব না।’
advertisement
পশ্চিমবাংলায় এসআইআর প্রক্রিয়া শুরু হয় ৪ নভেম্বর। ওই দিনই কলকাতায় মিছিলে হেঁটেছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। মিছিল শেষে সভা থেকে অভিষেক বলেন, ‘‘নেত্রীর অনুমতি নিয়ে বলছি, একজনও বৈধ ভোটারের নাম বাদ গেলে দিল্লিতে এক লক্ষ মানুষকে নিয়ে যাব।’’
এসআইআর নিয়ে রাজ্যে যা চলছে, তাকে সর্বভারতীয় স্তরে তুলে ধরা। মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে রাজনৈতিক আক্রমণ আরও ধারালো করা। পশ্চিমবাংলায় এসআইআর প্রক্রিয়া শুরু হয়েছিল ৪ নভেম্বর। ওই দিনই কলকাতার রাস্তায় মিছিলে হেঁটেছিলেন মমতা এবং অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। মিছিল শেষে জোড়়াসাঁকো ঠাকুরবাড়ির সামনের সভা থেকে অভিষেকই প্রথম বলেছিলেন, ‘‘নেত্রীর অনুমতি নিয়ে বলছি, একজনও বৈধ ভোটারের নাম বাদ গেলে দিল্লিতে এক লক্ষ মানুষকে নিয়ে যাব।’’
মমতা কোনও আন্দোলনে নিজে দিল্লি গেলে তার ওজন এমনিতেই বেড়ে যাবে। বিক্ষোভ তথা প্রতিবাদ নিয়ন্ত্রণ করতে প্রশাসনিক পদক্ষেপ কী ভাবে হবে, তা-ও ভাবতে হবে অমিত শাহের মন্ত্রককে। কারণ, দিল্লির পুলিশি ব্যবস্থা শাহের কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের অধীনে।২০২৩ সালের অক্টোবরে অভিষেকের নেতৃত্বে কেন্দ্রীয় প্রকল্পগুলিতে ‘বঞ্চনার’ প্রতিবাদে দিল্লিতে তৃণমূলের কর্মসূচিতে বেপরোয়া ধরপাকড় চলেছিল।
এসআইআর নিয়ে মমতা যে লড়াই চালিয়ে যাবেন, তা তিনি একাধিক বার প্রকাশ্যে এবং নিজের ঘনিষ্ঠমহলে বলেছেন। তাঁর বক্তব্য, তিনি ভোটার তালিকা থেকে ‘বৈধ’ ভোটারদের নাম বাদ দেওয়া রুখবেন।
