এক সময় দুবরাজপুরে নিয়মিত বড় মাপের শাস্ত্রীয় সংগীতের আসর বসত। মাঝে বেশ কয়েক বছর সেই ঐতিহ্য থমকে গিয়েছিল। সেই শূন্যতা পূরণ করতেই এগিয়ে এসেছে ‘কোমল গান্ধার’। আয়োজকদের মতে, শাস্ত্রীয় সংগীত মানুষের মনের গভীর দাগ কাটে এবং মানসিক বিকাশে সাহায্য করে। সেই উদ্দেশেই এই প্রচার ও প্রসারের পরিকল্পনা।
আরও পড়ুনঃ নর্দমা থেকে উদ্ধার সদ্যজাতের দেহ! জন্মের পরই পৈশাচিক অত্যাচার, মৌসুনি দ্বীপে চাঞ্চল্য
advertisement
সাধারণত একটি ধারণা প্রচলিত আছে যে, বর্তমান সময়ে শাস্ত্রীয় সংগীতের অনুষ্ঠানে দর্শক হয় না। কিন্তু এদিন সেই ধারণা ভুল প্রমাণিত হয়েছে। অনুষ্ঠান শুরুর কিছুক্ষণের মধ্যেই নেপাল মজুমদার ভবনের প্রেক্ষাগৃহ হাউসফুল। ২০০র বেশি সংগীতপ্রেমী মানুষের উপস্থিতি আয়োজকদের চোখেমুখে খুশির ঝিলিক এনে দিয়েছে।
উদ্যোক্তাদের মতে, গত তিন বছরের প্রচেষ্টায় এটি তাদের অন্যতম বড় সাফল্য। এদিনের অনুষ্ঠানে স্থানীয় শিল্পীদের পাশাপাশি আমন্ত্রিত হয়ে এসেছিলেন তিন জন বিশিষ্ট বেতার শিল্পী। ১২টি দলের প্রায় ৪০ জন শিল্পী এই মহতী অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেন।
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
সংস্থার পক্ষে প্রিয়জিৎ ভট্টাচার্য বলেন, “আমাদের মূল লক্ষ্য হল শাস্ত্রীয় সংগীতের প্রচার ও প্রসার। দুবরাজপুরের সব সংগীতপ্রেমী মানুষের সহযোগিতায় এই আয়োজন সম্ভব হয়েছে। আমরা চেয়েছিলাম হারিয়ে যাওয়া সেই মনোরম পরিবেশ ফিরিয়ে আনতে। ছোট বড় ভেদাভেদ ভুলে প্রায় ৪০ জন শিল্পী এখানে সমবেত হয়েছেন। দর্শকদের এই স্বতঃস্ফূর্ত সাড়া আমাদের আগামী দিনে আরও বড় কাজ করার সাহস জোগাচ্ছে।”
প্রযুক্তির যুগে যখন সংস্কৃতির অবক্ষয় নিয়ে চিন্তিত সমাজ, তখন দুবরাজপুরের এই সংগীত সন্ধ্যা এক নতুন আশার আলো দেখাল।





