ভোটে টিকিট না পেয়েই অভিমানে রাজনীতি থেকে অবসর নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিলেন চুঁচুড়ার তৃণমূল বিধায়ক৷ দল টিকিট না দিলেও তাঁর কোনও খামতি ছিল না বলেই দাবি করেছেন অসিত৷
টিকিট না পেয়ে অভিমানী অসিত বলেন, আমরা তো চুনোপুটি লোক, তাহলে আমাদের সঙ্গে দল কেন কথা বলবে। আমি মনে করেছি খামতি নেই, ওরা মনে করেছে আমার খামতি আছে। না হলে তিনবার আমাকে টিকিট দিল, এবার দিল না কেন? দলের কর্মীরা আমাকে ভালবাসে, তাই আমি টিকিট না পাওয়ায় ওদের মন ভেঙে গিয়েছে, এটা আবেগ। আস্তে আস্তে ঠিক হয়ে যাবে। তিনবার আমায় টিকিট দিয়েছে, এখন মনে করেছে দেবাংশু ভাল হবে তাই দিয়েছে। ধন্যবাদ জানালাম দলকে।
advertisement
দল টিকিট না দেওয়ায় রাজনীতি থেকে অবসর নিয়ে এবার নিজের পুরনো পেশায় ফিরবেন বলেও জানিয়েছেন অসিত৷ তৃণমূল বিধায়ক বলেন, এবার থেকে বই আছে, ক্লাব আছে, বই পড়ে সময় কাটাবো। একদম তো বেকার হয়ে যায়নি, আবার দরকার বলে ওকালতি শুরু করব। উকিলের ডিগ্রি আছে, বার কাউন্সিলের সার্টিফিকেট আছে, আবার কোর্টে যাব। তবে রাজনীতি আর করব না। রাজনীতি থেকে বিশ্রাম নিলাম। দল কাজ করতে বললেই করতে হবে নাকি?
তবে অন্য দলে যাচ্ছেন কিনা সে বিষয়ে অসিত মজুমদার বলেন, এখনও ভেবে দেখিনি। তবে আমারও দলীয় কর্মীদের নিয়ে একটা পরিবার আছে। তাদের সঙ্গে আলোচনা করব। এরপর ভেবে দেখব কী করা যায়।
দলের প্রবীণ বিধায়ক হলে বহুবারই বিতর্কে জড়িয়েছেন অসিত মজুমদার৷ কখনও বেফাঁস মন্তব্য করে, কখনও আবার বিরোধীদের দিকে লাঠি নিয়ে তেড়ে গিয়ে দলের অস্বস্তি বাড়িয়েছেন তিনি৷ সম্প্রতি হুগলির সাংসদ রচনা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গেও সংঘাতে জড়িয়েছিলেন তিনি৷ সেই সংঘাতের খেসারতই অসিতকে দিতে হল কি না, তা নিয়েই এখন চুঁচুড়ার তৃণমূল নেতাকর্মীদের মধ্যে জোর চর্চা৷
