তবে কোনও প্রকারে গাড়ি থেকে বেড়িয়ে প্রাণে বাঁচেন চালক। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে আসে মুর্শিদাবাদ থানার বিশাল পুলিশ বাহিনী। নদীতে ডুবুরি নামিয়ে গাড়িটি উদ্ধারের চেষ্টা চলছে।
এই সদরঘাটে একইভাবে একাধিকবার নদীতে গাড়ি ডোবার ঘটনা ঘটেছে। প্রাণহানির ঘটনাও ঘটেছিল। তারপরেও নিরাপত্তার তোয়াক্কা না করে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে অবাধে একাধিক গাড়ি নিয়ে নৌকা পারাপার করা হয় বলে অভিযোগ। তবে প্রশাসনের পক্ষ থেকে কোনও ব্যবস্থা না নেওয়া করায় ক্ষোভ প্রকাশ করেন স্থানীয়রা।
advertisement
আরও পড়ুন-বিরাট সুখবর! নৈহাটির বড়মার মন্দিরে গিয়ে আর দিতে হবে না লাইন! কারা পাবেন বিশেষ সুবিধা? জানুন
কিছুদিন আগেই বর্ধমান শহরে পৃথক তিনটি পথ দুর্ঘটনায় মৃত্যু হয়েছে ৩ জনের, আহত হয়েছে আরও ৩ জন। প্রথম দুর্ঘটনাটি ঘটে বর্ধমান শহরের গোলাপবাগে মেঘনাদ সাহা তারামণ্ডলের গেটের সামনে। বর্ধমানের সরাইটিকর এলাকার বাসিন্দা পেশায় গ্রিল মিস্ত্রি শেখ নাসিরুদ্দিন ওরফে শেখ আরবাজ কাজ শেষে তার আরও দুই সহকর্মী শেখ আরমান ওরফে জিৎ ও বাপি মল্লিককে সঙ্গে নিয়ে বাড়ি ফেরার পথে ইলেক্ট্রিক পোলে গিয়ে ধাক্কা মারে। ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় সেখ নাসিরুদ্দিন ওরফে সেখ আরবাজের।
অন্যদিকে, গুরুতরভাবে জখম অবস্থায় সেখ আরমান ও বাপি মল্লিককে নিয়ে যাওয়া হয় বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে। অপর ঘটনাটি ঘটে গোলাপবাগ মোড় এলাকায়। দ্রুতগতির একটি চারচাকা গাড়ি পিষে দেয় মোটরবাইক নিয়ে দাঁড়িয়ে থাকা দুই যুবককে। ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় দু-জনেরই। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, মৃতদের নাম শেখ রাজু ও সেখ স্বাধীন। দু’জনেরই বাড়ি বুদবুদ থানার তিলডাঙ্গা গ্রামে। দুজনই পেশায় ফলস্ সিলিং মিস্ত্রি ছিল। কাজ শেষে বাড়ি ফেরার পথে গোলাপবাগ মোড়ে চা খেতে দাঁড়িয়েছিল দু’জনে।
