পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, কসবা থানার এলাকার বাসিন্দা, হোটেল ব্যবসায়ী, ধরমবীর সাউ সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি বিজ্ঞাপন দেখেন, যেখানে দাবি করা হয়েছিল জমির নিচ থেকে সোনার মূর্তি উদ্ধার হয়েছে! বিষয়টি জানার আগ্রহে তিনি যোগাযোগ করেন। প্রথমে তাঁকে একটি প্রতিমা পরীক্ষা করিয়ে দেখানো হয়। পরীক্ষায় সোনার উপস্থিতির ইঙ্গিত মেলায় তাঁর বিশ্বাস জন্মায়। এরপর ধাপে ধাপে মোট ১১ লক্ষ ২০ হাজার টাকা দেন তিনি। বিনিময়ে তাঁর হাতে তুলে দেওয়া হয় সোনার গণেশ ও লক্ষ্মীর মূর্তি এবং একটি পুজোর ঘণ্টা। তবে সন্দেহের বশে সব প্রতিমা একত্রে নিয়ে পুনরায় পরীক্ষা করালে চাঞ্চল্যকর সত্য সামনে আসে মূর্তিগুলি আসল সোনা নয়!
advertisement
প্রতারণা বুঝতে পেরে তিনি বারুইপুর থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগ রয়েছে, এর পরেও অভিযুক্ত আবার ব্যবসায়ীর সঙ্গে যোগাযোগ করে আরও একটি মূর্তি দেওয়ার প্রলোভন দেখায় এবং কৃষ্ণমোহন এলাকায় ডেকে পাঠায়। পূর্বপরিকল্পিতভাবে সতর্ক থেকে ধরমবীর সাউ সেখানে যান। অভিযুক্তকে চিহ্নিত করার পর স্থানীয়দের সহায়তায় তাকে আটক করা হয়। খবর পেয়ে পুলিশ পৌঁছে ফারুক বৈদ্যকে গ্রেফতার করে।
ধৃতের কাছ থেকে দুটি মূর্তি, একটি পূজার ঘণ্টা এবং নগদ ২ লক্ষ ৬৩ হাজার টাকা উদ্ধার হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। পুলিশের অনুমান, এই ঘটনায় বড় কোনও প্রতারণা চক্র জড়িত থাকতে পারে। পুরো বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। বৃহস্পতিবার অভিযুক্তকে বারুইপুর মহকুমা আদালতে তোলা হবে। তাকে পুলিশ হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদের আবেদন জানানো হতে পারে। ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। সোশ্যাল মিডিয়ার বিজ্ঞাপনে প্রলোভনে পা না দেওয়ার পরামর্শ দিচ্ছে পুলিশ।
সুমন সাহা






