শোনা যায়, একসময় শ্রীমতী নদী দিয়ে ব্যবসায়ীরা ব্যবসা করতে যেতেন। সেই আসা যাওয়ার পথে তাঁরা মায়ের কাছে পুজো দিয়ে যেতেন বলে জনশ্রুতি আছে। দেবীর মন্দির বয়রা গাছের তলায় অবস্থিত ছিল। সেখান থেকেই মন্দিরের নামকরণ বলে শোনা যায়।
advertisement
এরপর সময়ের সঙ্গে শ্রীমতি নদীর জল শুকিয়ে আসে। একসময় যে এলাকা দিয়ে ব্যবসায়ীরা বাণিজ্যে যেতেন, সেই এলাকা জঙ্গলে পরিণত হয়। শুরু হয় ডাকাতদের আনাগোনা। সেই সময় ডাকাতরা মায়ের পুজো করতেন।
শোনা যায়, ১৯৩২ সালে এই অঞ্চলের দারোগা হিসেবে এসেছিলেন এক ব্যক্তি। তিনিও নাকি ডাকাত দমনের জন্য দেবীর দ্বারস্থ হয়েছিলেন। ওই ব্যক্তিই নাকি বয়রা কালী মায়ের মন্দির প্রতিষ্ঠা করেছিলেন বলে শোনা যায়।
কালিয়াগঞ্জের এই মন্দিরে দেবীর একটি অষ্টধাতুর মূর্তি রয়েছে। ১৯৯৮ সালে মায়ের বর্তমান মূর্তি তৈরি করা হয়। দেবীর গায়ে রয়েছে সোনা ও রুপোর অজস্র অলঙ্কার। প্রায় রোজই ভক্তরা পুজো দিতে আসেন।
এছাড়া প্রত্যেক বছর দীপাবলির রাতে বয়রা কালী মন্দিরে উপচে পড়ে ভক্তদের ভিড়। দূরদূরান্ত থেকে ছুটে আসেন অনেকে। কথিত আছে, এখানে পুজো দিলে মনোবাঞ্ছা পূরণ হয়। কাউকে খালি হাতে ফেরান না মা।
