তালিকা দেখে আতঙ্কিত হয়ে পড়েন ওই আধিকারিক। তাঁর কথায়, এসআইআর এর সংশোধনের সময় নানা চাপের মধ্যে কাজ করেছেন। যাতে কোনও ভুল না হয় তার জন্য সংযত হয়েই সমস্ত কাজ করেছেন বলেও দাবি করেন তিনি । কিন্তু এদিন চূড়ান্ত তালিকায় নিজের এবং পরিবারের নাম ‘বিচারাধীন’ দেখে হতবাক হয়ে গিয়েছেন। এখন এলাকায় ফিরে কী বলবেন, কীভাবে পরিস্থিতি সামাল দেবেন বুঝে উঠতে পারছেন না।
advertisement
জানা গিয়েছে, এসআইআর-এর সময় তাঁদের পরিবার শুনানির নোটিস পেয়েছিল এবং নির্ধারিত প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হয়েছিল। তা সত্ত্বেও সংশোধিত তালিকায় তাঁদের নাম ‘বিচারাধীন’ হিসেবে থেকে যাওয়ায় ক্ষোভ ও উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। একই বুথ এলাকার প্রায় আরও ২০০ জন ভোটারের নামও একইভাবে চিহ্নিত হওয়ায় পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠবে আশঙ্কা।
আরও পড়ুন : প্রত্যন্ত গ্রামে আজও কাজ করে চলেন ‘পোস্টমাস্টার’…ক্ষুদ্র সঞ্চয়ে অনন্য নজির গড়ল এই ডাকঘর!
ওই বিএলও-র কথায়, ‘‘এলাকার মানুষ প্রশ্ন করবেন। আমি নিজেই যখন তালিকায় বিচারাধীন, তখন তাঁদের কী উত্তর দেব!’’ নির্বাচন কমিশন দ্রুত বিষয়টি খতিয়ে দেখে বৈধ ভোটারদের নাম তালিকায় পুনর্বহাল করুক, এখন এই আবেদনই জানাচ্ছেন তিনি। বিষয়টি নিয়ে বারাসত ব্লক ১ পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি হালিমা বিবি বলেন, এই বিষয়গুলি মানুষকে বুঝতে হবে। এই ধরনের ঘটনায় একটি চক্রান্ত চলছে বলেও মনে করেন তিনি। তবে তিনি আতঙ্কিত না হয়ে প্রশাসন পাশে আছে বলেই জানান। তবে এখন দেখার এই পরিস্থিতি কতটা জটিল আকার ধারণ করে।