বর্তমান সমাজের মধ্যে এই নারীরা কেবল নিজের জীবনই পরিবর্তন করেন না, বরং তাঁদের স্পর্শকাতর এলাকা থেকে উঠে আসা এক মহিলা সাহিত্যিকের অভূতপূর্ব গল্প।শুনলে আপনিও চমকে উঠবেন বীরভূমের এই মহিলা সাহিত্যিকের জীবন কাহিনি। বীরভূমের মল্লারপুর থানার অন্তর্ভুক্ত প্রত্যন্ত একটি গ্রাম বিসিয়া,জমুনি। দীর্ঘদিন ধরেই স্পর্শকাতর এলাকা হিসেবেই পরিচিত বিসিয়া জমুনী গ্রাম।
advertisement
আর এই গ্রাম থেকেই বিভিন্ন লড়াই সংগ্রামের মধ্য দিয়ে বেড়ে উঠেছেন মহিলা সাহিত্যিক ফিরোজা বেগম। প্রসঙ্গত চার কন্যাসন্তানের জননী তিনি। সামাজিক পরিবেশে বিভিন্ন ধরনের বাধা-বিপত্তি পেরিয়ে চার কন্যাসন্তানকে তিনি বড় করে তুলেছেন। এমনকি ভাল পরিবার দেখে বিয়েও দিয়েছেন চার কন্যাসন্তানের।
শুধু সংসার জীবনই নয়, সংসার জীবনের পাশাপাশি সাহিত্যচর্চাতেও তিনি মনোনিবেশ হিসেবে গড়ে তুলেছেন। ২১ শতকের সেরা বাঙালি সাহিত্যিক হিসেবে সম্মানিত হয়েছেন ফিরোজা বেগম। প্রসঙ্গত একুশে জানুয়ারি সল্টলেকে অনুষ্ঠিত হয় ৪৯ তম কলকাতা আন্তর্জাতিক বইমেলা উপলক্ষে বিশ্ব বাংলা সাহিত্য সম্মেলন অনুষ্ঠান। সেই অনুষ্ঠানে বীরভূমের মল্লারপুরের বিশিয়া গ্রামের বাসিন্দা ফিরোজা বেগমকে একুশ শতকের সেরা বাঙালি সাহিত্যিক হিসেবে সম্মানিত করা হয় এবং তাঁর হাতে একটি মানপত্র তুলে দেওয়া হয়। এই ধরনের এক প্রত্যন্ত গ্রাম থেকে উঠে এসে সেরা বাঙালি সাহিত্যিক হিসাবে সম্মানিত হওয়ায় নিজেকে গর্বিত মনে করেছেন ফিরোজা বেগম। এলাকার অন্যান্য মেয়েদের জন্য অনুপ্রেরণা হয়ে দাঁড়িয়েছেন তিনি।