সিউড়ি পৌরসভার দীর্ঘদিনের পরিকল্পনার ফসল এই ক্লক টাওয়ার। পৌরসভার চেয়ারম্যান উজ্জ্বল চট্টোপাধ্যায় জানান, স্থানীয় বিধায়কের অনুপ্রেরণায় এবং বিধায়ক তহবিল থেকে বরাদ্দ অর্থেই এই সুদৃশ্য টাওয়ারটি নির্মিত হয়েছে। তিনি আরও জানান, প্রাচীন শহর হওয়ায় উপযুক্ত জায়গার অভাব ছিল, যা আলোচনার মাধ্যমে বাসস্ট্যান্ড চত্বরে নির্বাচন করা হয়। নেতাজির মূর্তি স্থাপনের দিনেই এর উদ্বোধনের কথা থাকলেও কাজ শেষ করতে কিছুটা বিলম্ব হয়। একটি নিখুঁত এবং মানসম্পন্ন কাজ উপহার দেওয়ার লক্ষ্যেই সময় নিয়ে এটি তৈরি করা হয়েছে।
advertisement
শহর সাজানোর এই উদ্যোগে খুশি সিউড়িবাসী। স্থানীয় বাসিন্দা প্রিয়নীল পাল প্রশাসনের এই পদক্ষেপকে সাধুবাদ জানিয়ে বলেন, “এই ক্লক টাওয়ারের ফলে সিউড়ি শহরের আকর্ষণ ও সৌন্দর্য অনেকটাই বৃদ্ধি পেয়েছে। বাইরে থেকে আসা পর্যটক বা সাধারণ মানুষের কাছে এটি একটি বিশেষ দর্শনীয় স্থান হয়ে উঠবে।” তবে সৌন্দর্যায়নের পাশাপাশি নাগরিক পরিষেবার উন্নতির দিকেও নজর দেওয়ার আর্জি জানিয়েছেন তিনি। তাঁর কথায়, শহরের অভ্যন্তরীণ রাস্তাঘাটের সংস্কার এবং সামগ্রিক উন্নয়নের কাজ সমান্তরালভাবে চললে সিউড়িবাসী আরও উপকৃত হবেন।
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
বাসস্ট্যান্ডের মতো ব্যস্ত এলাকায় এই ক্লক টাওয়ার শুধু সময় দেখাবে না, বরং সিউড়ি শহরের আধুনিকায়নের প্রতীক হিসেবে দাঁড়িয়ে থাকবে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে আশ্বাস দেওয়া হয়েছে যে, আগামী দিনেও শহরের সৌন্দর্যায়ন এবং পরিকাঠামো উন্নয়নের কাজ ধাপে ধাপে সম্পন্ন করা হবে।





