TRENDING:

Agriculture News: চাষিমঙ্গল বন্ধ, চরম অমঙ্গল কৃষকদের! আলুর বাম্পার ফলনেও লাভের থেকে ক্ষতি বেশি, বন্ধ হিমঘরে বন্দি ভাগ্য

Last Updated:

Birbhum Agriculture News: আলু চাষ করে হয়েছে দারুণ ফলন। কিন্তু সেই আলু রাখার জায়গার অভাবে বিক্রি করে দিতে হচ্ছে কম দামে। ফলে লাভ হচ্ছে কম। এলাকায় থাকা হিমঘর বন্ধ দু'দশকের বেশি সময় ধরে। আক্ষেপের সুর চাষিদের গলায়।

impactshort
ইমপ্যাক্ট শর্টসলেটেস্ট খবরের জন্য
advertisement
দুবরাজপুর, বীরভূম, সুদীপ্ত গড়াই: উৎপাদন প্রচুর, কিন্তু উপযুক্ত দাম নেই। খোলা বাজারে আলু বিক্রি করতে গিয়ে কার্যত মাথায় হাত দুবরাজপুর, খয়রাশোল ও রাজনগরের কয়েক হাজার কৃষকের। এই সংকটের মুহূর্তে এলাকার কৃষকদের মুখে একটাই আক্ষেপ, যদি গোখরুল গ্রামের সেই বন্ধ হিমঘরটি চালু থাকত! দুবরাজপুর রানীগঞ্জ মোরগ্রাম ১৪ নম্বর জাতীয় সড়কের পাশে অবস্থিত ‘চাষিমঙ্গল সমবায় হিমঘর’।
advertisement

বাম আমলে ১৯৭৯ সালে তৎকালীন সমবায় মন্ত্রী ভক্তিভূষণ মণ্ডলের উদ্যোগে ৪ হাজার মেট্রিকটন ক্ষমতা সম্পন্ন এই হিমঘরটি চালু হয়েছিল। এক সময় যে হিমঘরকে কেন্দ্র করে এলাকার কৃষকরা নতুন উদ্যমে আলু চাষ শুরু করেছিলেন। কিন্তু গত দুই দশক ধরে তা শুধুই এক কঙ্কালসার অট্টালিকা হিসেবে দাঁড়িয়ে আছে। এলাকার চাষি আস্তিক ঘোষ ও রমেশ মণ্ডলের কথায়, “কাছাকাছি কোনও হিমঘর নেই। এবার আলুর বাম্পার ফলন হলেও দাম মিলছে না। হিমঘরটি চালু থাকলে আমরা সেখানে আলু মজুত করতে পারতাম এবং ভবিষ্যতে লাভজনক দামে বিক্রি করার সুযোগ পেতাম।”

advertisement

আরও পড়ুন: শেষযাত্রায় লাইনে দাঁড়িয়ে অপেক্ষা এবার অতীত, চার কোটি টাকায় ভোলবদল হচ্ছে শ্মশানের! গোলাপের চাদরে ঢাকবে এলাকা

তাদের দাবি, এই হিমঘরটি চালু থাকলে দুবরাজপুর ও সংলগ্ন এলাকার কৃষি অর্থনীতি আমূল বদলে যেত। দুবরাজপুর পৌরসভার চেয়ারম্যান পীযুষ পাণ্ডে বিষয়টি নিয়ে ইতিবাচক সুর শোনালেও কোনও নির্দিষ্ট আশার কথা শোনাতে পারেননি। তিনি জানান, “দুবরাজপুর, খয়রাশোল, রাজনগর বা ইলামবাজারের মতো এলাকাগুলি সম্পূর্ণ কৃষিভিত্তিক। এখানে কোনও বড় শিল্প নেই।

advertisement

View More

আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন

সেরা ভিডিও

আরও দেখুন
অ্যালোপ্যাথি নির্ভরতা ছেড়ে জনপ্রিয় হচ্ছে বিকল্প চিকিৎসা পদ্ধতি! কুলতলিতে আয়ুষ মেলার আয়োজন
আরও দেখুন

কৃষকদের স্বার্থে এই কোল্ড স্টোরেজটি পুনরায় চালু হওয়া অত্যন্ত প্রয়োজন। বিষয়টি জেলা নেতৃত্ব ও মন্ত্রী পর্যায়ে জানানো হয়েছে। বহুবার পরিদর্শনও হয়েছে, তবে বর্তমানে প্রক্রিয়াটি ঠিক কোন পর্যায়ে আছে তা নিশ্চিত নয়।” এখন দেখার দু’ই দশক ধরে বন্ধ থাকা এই হিমঘর কি আদৌ কোনওদিন খুলবে, না কি স্রেফ রাজনীতির টানাপোড়েনে কৃষকদের স্বপ্নে এভাবেই মরচে ধরবে।

advertisement

বাংলা খবর/ খবর/পশ্চিমবঙ্গ/
Agriculture News: চাষিমঙ্গল বন্ধ, চরম অমঙ্গল কৃষকদের! আলুর বাম্পার ফলনেও লাভের থেকে ক্ষতি বেশি, বন্ধ হিমঘরে বন্দি ভাগ্য
Open in App
হোম
খবর
ফটো
লোকাল