বাম আমলে ১৯৭৯ সালে তৎকালীন সমবায় মন্ত্রী ভক্তিভূষণ মণ্ডলের উদ্যোগে ৪ হাজার মেট্রিকটন ক্ষমতা সম্পন্ন এই হিমঘরটি চালু হয়েছিল। এক সময় যে হিমঘরকে কেন্দ্র করে এলাকার কৃষকরা নতুন উদ্যমে আলু চাষ শুরু করেছিলেন। কিন্তু গত দুই দশক ধরে তা শুধুই এক কঙ্কালসার অট্টালিকা হিসেবে দাঁড়িয়ে আছে। এলাকার চাষি আস্তিক ঘোষ ও রমেশ মণ্ডলের কথায়, “কাছাকাছি কোনও হিমঘর নেই। এবার আলুর বাম্পার ফলন হলেও দাম মিলছে না। হিমঘরটি চালু থাকলে আমরা সেখানে আলু মজুত করতে পারতাম এবং ভবিষ্যতে লাভজনক দামে বিক্রি করার সুযোগ পেতাম।”
advertisement
তাদের দাবি, এই হিমঘরটি চালু থাকলে দুবরাজপুর ও সংলগ্ন এলাকার কৃষি অর্থনীতি আমূল বদলে যেত। দুবরাজপুর পৌরসভার চেয়ারম্যান পীযুষ পাণ্ডে বিষয়টি নিয়ে ইতিবাচক সুর শোনালেও কোনও নির্দিষ্ট আশার কথা শোনাতে পারেননি। তিনি জানান, “দুবরাজপুর, খয়রাশোল, রাজনগর বা ইলামবাজারের মতো এলাকাগুলি সম্পূর্ণ কৃষিভিত্তিক। এখানে কোনও বড় শিল্প নেই।
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
কৃষকদের স্বার্থে এই কোল্ড স্টোরেজটি পুনরায় চালু হওয়া অত্যন্ত প্রয়োজন। বিষয়টি জেলা নেতৃত্ব ও মন্ত্রী পর্যায়ে জানানো হয়েছে। বহুবার পরিদর্শনও হয়েছে, তবে বর্তমানে প্রক্রিয়াটি ঠিক কোন পর্যায়ে আছে তা নিশ্চিত নয়।” এখন দেখার দু’ই দশক ধরে বন্ধ থাকা এই হিমঘর কি আদৌ কোনওদিন খুলবে, না কি স্রেফ রাজনীতির টানাপোড়েনে কৃষকদের স্বপ্নে এভাবেই মরচে ধরবে।





