সংগ্রহশালার অন্যতম আকর্ষণ প্রাচীন ঘড়ির সংগ্রহ। দেশি-বিদেশি নানা নির্মাতার দেয়াল ঘড়ি ও টেবিল ঘড়ি, যেগুলির বয়স কম করে দেড়শ বছর, এখনও সযত্নে রক্ষিত। সময়ের ধুলো পড়ে নষ্ট হয়ে যাওয়ার কথা ছিল যেসব নিদর্শনের, সেগুলিকে নিয়মিত পরিচর্যায় রাখা হয়েছে। দিন-রাতের সময় নির্দেশ করা এই ঘড়িগুলি শুধু সময় নয়, এক একটি যুগের সাক্ষ্য বহন করছে।
advertisement
আরও পড়ুন: ইজরায়েল, বাহরিন, কাতার, UAE-তে পাল্টা হামলা ইরানের! ‘অপারেশন ট্রু প্রমিস ৪’ শুরু করল তেহরান
এছাড়াও এখানে রয়েছে ট্রেন থামানোর জন্য ব্যবহৃত বিশেষ লন্ঠন, যা একসময় রেলপথে নিরাপত্তার গুরুত্বপূর্ণ অংশ ছিল। আধুনিক ফ্লাস্কের পূর্বসূরি হিসেবে পরিচিত পুরোনো ‘হট জাগ’-ও দর্শকদের আকর্ষণের কেন্দ্র। জানা যায়, এটি রাশিয়ান ফ্লাস্কের অনুকরণে তৈরি। প্রযুক্তির অগ্রগতির ফলে এসব সামগ্রীর ব্যবহার প্রায় দশকাধিক আগে বন্ধ হয়ে গিয়েছে। তবু ইতিহাসের মূল্য বোঝাতে এগুলি আজ অমূল্য সম্পদ।
সংগ্রহে রয়েছে দুটি প্রাচীন হুঁকোও, যা একসময় সামাজিক আড্ডার অবিচ্ছেদ্য অংশ ছিল। আধুনিক জীবনযাত্রার পরিবর্তনে এসব জিনিস আজ বিলুপ্ত প্রায়। কিন্তু পশ্চিম রাঢ় ইতিহাস ও সংস্কৃতি চর্চা কেন্দ্রের উদ্যোগে সেগুলি সংরক্ষিত থাকায় নতুন প্রজন্মের কাছে অতীতের জীবনধারা, শিল্পরুচি ও প্রযুক্তির বিবর্তন সম্পর্কে জানার সুযোগ তৈরি হয়েছে। ইতিহাস প্রেমীদের কাছে এই কেন্দ্র তাই হয়ে উঠেছে এক বিশেষ জায়গা।