জানা গিয়েছে, বাঁকুড়ার শুশুনিয়ার ভরতপুর গ্রামের পটচিত্র শিল্পীদের জীবন ও জীবিকা উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিয়েছেন সংহিতা মিত্র। দীর্ঘদিন ধরে তিনি ওই এলাকার লোকশিল্পীদের উৎসাহিত করে পটচিত্র শিল্পচর্চাকে নতুন করে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেছেন। শিল্পীদের প্রশিক্ষণ, প্রদর্শনী এবং বিভিন্ন সাংস্কৃতিক পরিসরে তাঁদের কাজ তুলে ধরার ক্ষেত্রেও তিনি উদ্যোগী ভূমিকা পালন করেছেন। তাঁর প্রচেষ্টায় অনেক শিল্পী নতুন করে এই পুরনো লোকশিল্পের সঙ্গে যুক্ত হয়ে জীবিকার পথ খুঁজে পেয়েছেন।
advertisement
আরও পড়ুন-ঘুমের মধ্যেই সব শেষ! প্রয়াত টলিউডের জনপ্রিয় অভিনেতা তমাল রায় চৌধুরী, টলিউডে শোকের ছায়া
লোকশিল্পের এই উত্থান এবং শিল্পীদের পাশে দাঁড়ানোর উদ্যোগকে সম্মান জানিয়েই তাঁকে এই জাতীয় সম্মানে ভূষিত করা হচ্ছে বলে আয়োজকদের পক্ষ থেকে জানান হয়েছে। অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকার কথা রয়েছে কেন্দ্রীয় সংস্কৃতি ও পর্যটন মন্ত্রী গজেন্দ্র সিং শেখাওয়াত, কেন্দ্রীয় নারী ও শিশু কল্যাণ মন্ত্রী অন্নপূর্ণা দেবী, দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী রেখা গুপ্তা এবং সাংসদ মনোজ তিওয়ারি-সহ একাধিক বিশিষ্ট ব্যক্তিত্বের।
আরও পড়ুন-ঋতাভরীর পরিবারে আসতে চলেছে নতুন অতিথি, নারীদিবসের দিনই সুখবর দিলেন নায়িকা
উল্লেখ্য, ভারত বিকাশ পরিষদ-এর উদ্যোগে এবং একাধিক সহযোগী সংস্থার সহায়তায় এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। পাশাপাশি এই উদ্যোগটি বেটি বাঁচাও বেটি পড়াও, স্বচ্ছ ভারত মিশন এবং এক ভারত শ্রেষ্ঠ ভারত-এর মত জাতীয় কর্মসূচির সঙ্গেও যুক্ত। বাঁকুড়ার মেয়ে সংহিতা মিত্রের এই স্বীকৃতি জেলার লোকশিল্প ও সংস্কৃতির ক্ষেত্রেও নতুন অনুপ্রেরণা জোগাবে বলেই মনে করছেন।





