জানা গিয়েছে, এই জিও-ট্যাগিং ও জিপিএস ট্র্যাকিং ব্যবস্থার মাধ্যমে প্রতিটি বাড়ি থেকে আবর্জনা সংগ্রহের ১০০ শতাংশ নিশ্চিত করাই মূল লক্ষ্য। ইউনিক কিউআর কোডে সংশ্লিষ্ট বাড়ির মালিকের যাবতীয় তথ্য সংরক্ষিত থাকবে। নির্মল বন্ধুরা বিশেষ ডিভাইস দিয়ে কোড স্ক্যান করলে জানা যাবে ওই বাড়ি থেকে কী ধরনের বর্জ্য বেশি উৎপন্ন হচ্ছে এবং তার পরিমাণ কত। এই তথ্যের ভিত্তিতে বর্জ্য ব্যবস্থাপনা আরও পরিকল্পিত করা সম্ভব হবে বলে মনে করছে পুরসভা। বিশেষ করে বাড়িতে জমে থাকা আবর্জনা ও নোংরা জল থেকে ডেঙ্গি সহ বিভিন্ন সংক্রামক রোগ ছড়ানোর আশঙ্কা থাকে। নতুন এই জিপিএস ট্র্যাকিং ব্যবস্থার ফলে সেদিকে বাড়তি নজরদারি চালান যাবে বলে দাবি পৌর কর্তৃপক্ষের।
advertisement
নোডাল অফিসার সিদ্ধার্থ মুখোপাধ্যায় জানান, ‘এই ব্যবস্থার মাধ্যমে একদিকে যেমন পৌর এলাকার জঞ্জাল ও নোংরা আবর্জনার পূর্ণাঙ্গ খতিয়ান পাওয়া যাবে, তেমনই এলাকাকে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখতেও বিশেষভাবে সাহায্য করবে।’ পৌরপ্রধান প্রবোধ সরকার বলেন, ‘আপাতত দু’টি ওয়ার্ডে এই ডিজিটালাইজেশনের কাজ শুরু হয়েছে। ভবিষ্যতে ধাপে ধাপে পুরো পৌর এলাকাতেই জিও-ট্র্যাকিং ব্যবস্থা চালু করা হবে।’ ১৪ নম্বর ওয়ার্ডের জনপ্রতিনিধি তাপস ভট্টাচার্য জানান, এ’ই পরিষেবা চালু হলে ওয়ার্ডে নির্মল বন্ধুরা ঠিকমতো কাজ করছেন কি না, ময়লা আবর্জনা নিয়মিত পরিষ্কার হচ্ছে কি না, সেটাও সহজেই বোঝা যাবে।’ এলাকার বাসিন্দারাও এই নতুন পরিষেবা পেয়ে খুশি বলে জানিয়েছেন। তাঁদের মতে, আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার এলাকাকে আরও পরিষ্কার ও স্বাস্থ্যকর করে তুলবে।