TRENDING:

Anandapur Fire Incident: জলাশয় বুজিয়ে কীভাবে গোডাউন? আনন্দপুরে 'অনুমোদনহীন' কারখানা! দমকলের ডিজিকে সঙ্গে নিয়ে পরিদর্শনে সুজিত বসু

Last Updated:

Sujit Bose on Anandapur Fire Incident: ওই কারখানার কোনও অনুমোদন ছিল না দমকলের তরফে, দেড়দিন পর দমকলমন্ত্রী সুজিত বসুর উপস্থিতিতে এমনই স্বীকারোক্তি শোনা গেল দমকল বিভাগের ডিজির গলায়! দিনের পর দিন অনুমোদনহীন কারখানা কীভাবে চলছিল, সেই প্রশ্নই উঠছে ৷

impactshort
ইমপ্যাক্ট শর্টসলেটেস্ট খবরের জন্য
advertisement
সাহ্নিক ঘোষ, কলকাতা: রবিবার মধ্যরাতে আনন্দপুরের নাজিরাবাদ এলাকায় একটি ব্র্যান্ডেড মোমো তৈরির কারখানায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় আতঙ্ক ও অনিশ্চয়তা ক্রমশ বাড়ছে। প্রায় ৩২ ঘণ্টা কেটে গেলেও মঙ্গলবার সকাল পর্যন্ত গোডাউনের ভিতরে আগুন পুরোপুরি নেভানো যায়নি। এই পরিস্থিতিতে মঙ্গলবার সকালে ঘটনাস্থলে যান রাজ্যের দমকলমন্ত্রী সুজিত বসু। দগ্ধ গোডাউন চত্বরে ঘুরে দেখার পাশাপাশি তিনি দমকলের ডিজি-র সঙ্গে কথা বলেন। প্রশাসনিক সূত্রে জানা গিয়েছে, আজই ঘটনাস্থলে ফরেনসিক টিম গিয়ে নমুনা সংগ্রহ করবে। আগুন লাগার কারণ খতিয়ে দেখতে শুরু হয়েছে তদন্ত। ওই কারখানার কোনও অনুমোদন ছিল না দমকলের তরফে, দেড়দিন পর দমকলমন্ত্রী সুজিত বসুর উপস্থিতিতে এমনই স্বীকারোক্তি শোনা গেল দমকল বিভাগের ডিজির গলায়! দিনের পর দিন অনুমোদনহীন কারখানা কীভাবে চলছিল, সেই প্রশ্ন উঠছে খুব স্বাভাবিকভাবেই।
দমকলের ডিজিকে সঙ্গে নিয়ে পরিদর্শনে সুজিত বসু
দমকলের ডিজিকে সঙ্গে নিয়ে পরিদর্শনে সুজিত বসু
advertisement

আরও পড়ুন– UGC Equity Regulations 2026 বিষয়টি কী? দেশ জুড়ে এটি নিয়ে হট্টগোল, কেন সোশ্যাল মিডিয়ায় উঠছে প্রতিবাদ জানুন বিশদে

সুজিত বসু বলেন, ‘‘পকেট ফায়ার আছে ৷ জতুগৃহের মতো জায়গা ৷ মোমো ফ্যাকট্রি ছিল ৷ ডেকোরেটরের দাহ্য পদার্থ ছিল ৷ যে স্ট্রাকচার ছিল তা কেটে ঢুকতে হয়েছে ৷ ফায়ারের কিছু ছিল না ৷ এফআইআর হয়ে তদন্ত হবে ৷ এর বিরুদ্ধে আইনত ব্যবস্থা নেওয়া হবে ৷ মালিকের বিরুদ্ধে হবে এফআইআর ৷ ডিজি-কে বলে যাচ্ছি কলকাতায় বহু কারখানা আছে ৷ অনেকে বেআইনি করছে, যদি বেআইনি হয় তাহলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে ৷’’

advertisement

আরও পড়ুন– নন্দীগ্রামে সমবায় ভোটে তৃণমূলের জয়ের পরই বিভাজনের রাজনীতি শুভেন্দুর !

সেরা ভিডিও

আরও দেখুন
রাজ্যের মধ্যে শান্তিপুরেই প্রথম! এবার সূর্যের আলোয় সেচের সমাধান
আরও দেখুন

শেষ পাওয়া সরকারি তথ্য অনুযায়ী, এখনও পর্যন্ত ৮ জনের মৃত্যুর খবর মিলেছে। সোমবার তিন জনের দেহ উদ্ধার হয়। মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ১০টা পর্যন্ত আরও চার জনের দেহ উদ্ধার হয়েছে। তবে অসমর্থিত সূত্রে দাবি, নিখোঁজের সংখ্যা ২৫ থেকে ৩০-এর মধ্যে। তাঁদের অনেকেই রাতের পাহারায় ছিলেন বা কারখানার মধ্যেই থাকতেন। নিখোঁজদের খোঁজ না মেলায় মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

advertisement

বাংলা খবর/ খবর/পশ্চিমবঙ্গ/
Anandapur Fire Incident: জলাশয় বুজিয়ে কীভাবে গোডাউন? আনন্দপুরে 'অনুমোদনহীন' কারখানা! দমকলের ডিজিকে সঙ্গে নিয়ে পরিদর্শনে সুজিত বসু
Advertisement
Open in App
হোম
খবর
ফটো
লোকাল