সুজিত বসু বলেন, ‘‘পকেট ফায়ার আছে ৷ জতুগৃহের মতো জায়গা ৷ মোমো ফ্যাকট্রি ছিল ৷ ডেকোরেটরের দাহ্য পদার্থ ছিল ৷ যে স্ট্রাকচার ছিল তা কেটে ঢুকতে হয়েছে ৷ ফায়ারের কিছু ছিল না ৷ এফআইআর হয়ে তদন্ত হবে ৷ এর বিরুদ্ধে আইনত ব্যবস্থা নেওয়া হবে ৷ মালিকের বিরুদ্ধে হবে এফআইআর ৷ ডিজি-কে বলে যাচ্ছি কলকাতায় বহু কারখানা আছে ৷ অনেকে বেআইনি করছে, যদি বেআইনি হয় তাহলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে ৷’’
advertisement
আরও পড়ুন– নন্দীগ্রামে সমবায় ভোটে তৃণমূলের জয়ের পরই বিভাজনের রাজনীতি শুভেন্দুর !
শেষ পাওয়া সরকারি তথ্য অনুযায়ী, এখনও পর্যন্ত ৮ জনের মৃত্যুর খবর মিলেছে। সোমবার তিন জনের দেহ উদ্ধার হয়। মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ১০টা পর্যন্ত আরও চার জনের দেহ উদ্ধার হয়েছে। তবে অসমর্থিত সূত্রে দাবি, নিখোঁজের সংখ্যা ২৫ থেকে ৩০-এর মধ্যে। তাঁদের অনেকেই রাতের পাহারায় ছিলেন বা কারখানার মধ্যেই থাকতেন। নিখোঁজদের খোঁজ না মেলায় মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
