TRENDING:

Anandapur Fire Case: বাবা-মা বাইক কিনে দেয়নি, টাকা জোগাড়ে আনন্দপুরে কাজ নিয়েছিল স্কুলছাত্র! আজও সে নিখোঁজ

Last Updated:

Anandapur Fire Case: আনন্দপুর অগ্নিকাণ্ডের পর থেকে নিখোঁজ তমলুকের সেই স্কুল ছাত্র। আজও বাড়ি ফিরে আসেনি সে।

impactshort
ইমপ্যাক্ট শর্টসলেটেস্ট খবরের জন্য
advertisement
তমলুক: মোটর বাইক কিনে দেওয়ার জন্য বাবা মা-র কাছে পীড়াপীড়ি ছেলের। কিন্তু ছেলে বারবার বলার পরও তাকে বাইক কিনে দেননি তাঁরা। স্কুলের পড়াশোনার ফাঁকে বাড়ির কাউকে কোনও কিছু না জানিয়ে তাই মোটরসাইকেল কেনার টাকা যোগাড়ের লক্ষ্যে বন্ধুর সঙ্গে আনন্দপুরে কাজ করতে গিয়েছিল স্কুল ছাত্র দেবাদিত্য দিন্দা।
আনন্দপুরের ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে পরিস্থিতি এখনও গভীর উদ্বেগজনক। ইতিমধ্যে ঘটনাস্থলে নিয়ে আসা হয়েছে হাইড্রা। শুরু হয়েছে উদ্ধার কাজ। কড়া নিরাপত্তায় এলাকা ঘিরে ফেলা হয়েছে। আরও দুটি ঝলসানো দেহ উদ্ধার হয়েছে বুধবার মধ্যরাতে। মৃতের সংখ্যা আরও বাড়ার আশঙ্কা।
আনন্দপুরের ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে পরিস্থিতি এখনও গভীর উদ্বেগজনক। ইতিমধ্যে ঘটনাস্থলে নিয়ে আসা হয়েছে হাইড্রা। শুরু হয়েছে উদ্ধার কাজ। কড়া নিরাপত্তায় এলাকা ঘিরে ফেলা হয়েছে। আরও দুটি ঝলসানো দেহ উদ্ধার হয়েছে বুধবার মধ্যরাতে। মৃতের সংখ্যা আরও বাড়ার আশঙ্কা।
advertisement

কিন্তু আনন্দপুর অগ্নিকাণ্ডের পর থেকে নিখোঁজ তমলুকের সেই স্কুল ছাত্র। আজও বাড়ি ফিরে আসেনি সে। বন্ধুদের মোটরসাইকেল রয়েছে। তারও চাই। তাই বাবা মা-কে বারবারই মোটরসাইকেল কিনে দেওয়ার কথা বলত। কিন্তু বাড়ি থেকে মোটরসাইকেল কিনে দিতে সম্মত হননি।

আরও পড়ুন: দিন দিন বাড়ছে বায়ুদূষণ, শ্বাসকষ্টের গুরুতর সমস্যা এড়াতে এই ৩ পরীক্ষা করানো অত্যন্ত জরুরি

advertisement

তখনই বন্ধুদের সঙ্গে স্কুলের ছুটিতে বাড়ির কাউকে কিছু না জানিয়েই বেরিয়ে গিয়েছিল ১৭ বছরের স্কুল ছাত্র দেবাদিত্য দিন্দা। টুলিয়া হাই স্কুলের একাদশ শ্রেণির ছাত্র। বাবা শংকর দিন্দা ও মা শর্মিষ্ঠা দিন্দা ভাবতেই পারেননি তাঁদের ছেলে অগ্নিকাণ্ডে পড়ে এভাবে নিখোঁজ হয়ে যাবে।

বন্ধুর সঙ্গে দেখা করার নাম করে বেরিয়ে যাওয়া ছেলেটা যে এভাবে বিপদে পড়বে সেকথা ভাবতেও পারেননি তাঁরা। না বলে চলে যাওয়ার কিছুদিন পর একদিন মাকে ফোন করে জানিয়েছিল, আনন্দপুরে ফুলের কাজে সে গিয়েছে। কয়েকদিন কাজ করেই সে ফিরে আসবে বলেও জানিয়েছিল।

advertisement

শেষ ফোনে সে মাকে বলেছিল কয়েকদিনের মধ্যে কাজ থেকে ফিরবে এবং সে পরীক্ষাও দেবে। সেই ফোনই যে শেষ ফোন হবে এটা মেনে নিতে পারছেন না শর্মিষ্ঠা দেবী। তাই ছেলে ফিরবে এই আশায় পথ চেয়ে অপেক্ষায় আছেন তাঁরা।

সেরা ভিডিও

আরও দেখুন
শীত শেষে জঙ্গলমহল ছাড়ছেন শিউলিরা, খেজুর রসের স্মৃতি বুকে নিজের ঠিকানায় ফেরার স্বস্তি
আরও দেখুন

সুজিত ভৌমিক/ সর্বানন্দ মিশ্র/ তমলুক

বাংলা খবর/ খবর/পশ্চিমবঙ্গ/
Anandapur Fire Case: বাবা-মা বাইক কিনে দেয়নি, টাকা জোগাড়ে আনন্দপুরে কাজ নিয়েছিল স্কুলছাত্র! আজও সে নিখোঁজ
Advertisement
Open in App
হোম
খবর
ফটো
লোকাল