কিন্তু আনন্দপুর অগ্নিকাণ্ডের পর থেকে নিখোঁজ তমলুকের সেই স্কুল ছাত্র। আজও বাড়ি ফিরে আসেনি সে। বন্ধুদের মোটরসাইকেল রয়েছে। তারও চাই। তাই বাবা মা-কে বারবারই মোটরসাইকেল কিনে দেওয়ার কথা বলত। কিন্তু বাড়ি থেকে মোটরসাইকেল কিনে দিতে সম্মত হননি।
আরও পড়ুন: দিন দিন বাড়ছে বায়ুদূষণ, শ্বাসকষ্টের গুরুতর সমস্যা এড়াতে এই ৩ পরীক্ষা করানো অত্যন্ত জরুরি
advertisement
তখনই বন্ধুদের সঙ্গে স্কুলের ছুটিতে বাড়ির কাউকে কিছু না জানিয়েই বেরিয়ে গিয়েছিল ১৭ বছরের স্কুল ছাত্র দেবাদিত্য দিন্দা। টুলিয়া হাই স্কুলের একাদশ শ্রেণির ছাত্র। বাবা শংকর দিন্দা ও মা শর্মিষ্ঠা দিন্দা ভাবতেই পারেননি তাঁদের ছেলে অগ্নিকাণ্ডে পড়ে এভাবে নিখোঁজ হয়ে যাবে।
বন্ধুর সঙ্গে দেখা করার নাম করে বেরিয়ে যাওয়া ছেলেটা যে এভাবে বিপদে পড়বে সেকথা ভাবতেও পারেননি তাঁরা। না বলে চলে যাওয়ার কিছুদিন পর একদিন মাকে ফোন করে জানিয়েছিল, আনন্দপুরে ফুলের কাজে সে গিয়েছে। কয়েকদিন কাজ করেই সে ফিরে আসবে বলেও জানিয়েছিল।
শেষ ফোনে সে মাকে বলেছিল কয়েকদিনের মধ্যে কাজ থেকে ফিরবে এবং সে পরীক্ষাও দেবে। সেই ফোনই যে শেষ ফোন হবে এটা মেনে নিতে পারছেন না শর্মিষ্ঠা দেবী। তাই ছেলে ফিরবে এই আশায় পথ চেয়ে অপেক্ষায় আছেন তাঁরা।
সুজিত ভৌমিক/ সর্বানন্দ মিশ্র/ তমলুক
