এদিনের সভা থেকে অমিত শাহ বলেন, ‘‘আনন্দপুরের আগুন কোনও দুর্ঘটনা না। ২৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। মোমো কোম্পানির মালিক কার ঘনিষ্ঠ, কার সঙ্গে বিদেশ সফরে যায়, সেটা সকলের জানা। এখনও মোমো কোম্পানির মালিকের গ্রেফতারি কেন হল না। ২৫ জন মারা গেলো ২৭ জনের খোঁজ পাওয়া যায়নি। লজ্জা করা উচিত মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের।’’
advertisement
আরও পড়ুন: লাফিয়ে বাড়ছে সংখ্যা…! আনন্দপুরে ছাইয়ের মধ্যে মিলল আরও ২ জনের দেহাংশ, এই নিয়ে মোট ২৭!
অমিত শাহের দাবি, ‘‘এই ঘটনার জন্য যাঁরা দায়ী তাঁদের জেলে ভরতে হবে যত তাড়াতাড়ি সম্ভব। শুভেন্দু অধিকারী, শমীক ভট্টাচার্য গেছিলেন দেখা করতে মৃতের পরিবারের সঙ্গে, কিন্তু পুলিশ বাধা দেওয়ার চেষ্টা করেছে। ৩২ ঘণ্টা পর সেখানে যাচ্ছে মন্ত্রী৷’’
শাহ প্রশ্ন তোলেন, ‘‘জলাজমিতে তৈরি হয়েছে গোডাউন। কেনও দরজা বন্ধ ছিল। ভিতরে লোক জ্বলে মারা গেল কিন্তু কেউ শুনল না। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে বলছি ঢাকা দেওয়ার, লুকনোর চেষ্টা করলে করুন, কিন্তু এপ্রিলের পরে দোষীদের প্রত্যেককে খুঁজে বের করে শাস্তি হবে। বাংলার মানুষ তৃণমূল কংগ্রেসকে টাটা বাই বাই করবে।’’
প্রসঙ্গত, আনন্দপুর থেকে আরও চার দেহাংশ শনিবার ময়না তদন্তে পাঠিয়েছে নরেন্দ্রপুর থানার পুলিশ। এই নিয়ে মোট ২৫টি দেহাংশ ময়না তদন্তে পাঠানো হয়েছে। আরও দুই দেহাংশ আজ শনিবার ভোরে উদ্ধার হয়েছে। তবে সেই দুটি দেহাংশ এখনও ময়না তদন্তে পাঠানো হয়নি। নরেন্দ্রপুর থানায় আনন্দপুরের অগ্নিকাণ্ডে ২৭ জনের নিখোঁজ ডায়েরি করেছিল পরিবার। এদিকে আজ শনিবার পর্যন্ত মোট ২৭ জনের দেহাংশ উদ্ধার করা হল ভয়ঙ্কর অগ্নিকাণ্ডের ধ্বংসস্তূপ থেকে। পুলিশ সূত্রে খবর, আজ উদ্ধারকার্য শেষ হবে বলে তারা মনে করছেন।
