জানা যাচ্ছে, এই বৃদ্ধা বলে সরকারি সুযোগ-সুবিধা পান না। এবার তাঁকে নতুন ঘরে প্রবেশ করিয়ে একে অপরের গালে রং ছুঁইয়ে দেন সকলে। এর আগে কালচিনি ব্লকে এমন মানবতার দৃষ্টান্ত আগে দেখা যায়নি বলে জানা যায়। চরম দারিদ্রতার মধ্যে জীবন কাটলেও অবশেষে মাথা গোঁজার স্থায়ী ঠিকানা পেলেন এই বৃদ্ধা। ফলে এখন একটু হলেও নিশ্চিন্ত কলাবতীদেবী। এলাকার যুবকদের কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন তিনি।
advertisement
আরও পড়ুনঃ ভরা বসন্তে বৃষ্টির পূর্বাভাস! উত্তরবঙ্গের কোন জেলায় আজ কেমন আবহাওয়া, লেটেস্ট আপডেটে জানুন
জানা গিয়েছে, কালচিনি স্টেশন রোড সংলগ্ন শান্তি কলোনি এলাকার বাসিন্দা কলাবতী মুন্ডা বহুদিন ধরে অত্যন্ত দুর্বিষহ পরিস্থিতিতে বসবাস করছিলেন। বহু বছর আগে স্বামীর মৃত্যুর পর তাঁর জীবনের একমাত্র ভরসা হয়ে ওঠে দুই ছোট নাতি। কিন্তু অর্থনৈতিক অনটনের কারণে একটি নিরাপদ বাসস্থানের ব্যবস্থা করা তাঁর পক্ষে সম্ভব হয়নি। ফলে একটি ভাঙাচোরা কুঁড়েঘরে প্লাস্টিক টাঙিয়ে কোনওরকমে দিন কাটাতে বাধ্য হন তিনি।
সেই ঘরে বর্ষাকালে বৃষ্টির জল ঢুকত, শীতকালে কাঁপুনি ধরাত ঠান্ডা বাতাস। সব মিলিয়ে, অনিশ্চয়তা ও ভয়ের মধ্যে প্রতিটি রাত কাটাতেন তিনি। এই কঠিন পরিস্থিতির কথা জানতে পারেন কালচিনির একদল যুবক। এরপর পবন লামা তাঁর দলের সদস্যদের নিয়ে কলাবতীদেবীর বাড়িতে পৌঁছে তাঁর দুরবস্থা দেখে আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েন এবং সিদ্ধান্ত নেন, সাময়িক সাহায্য নয়, তাঁর জন্য স্থায়ী সমাধানের ব্যবস্থা করতে হবে।
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
পবন বলেন, “আমরা সকলে রোজগার করি। সেই টাকা থেকে কিছু অর্থ দিয়ে একটি ফান্ড তৈরি করি। তারপরেই কলাবতী দেবীর জন্য একটি ঘর তৈরি করে দিয়েছি। ওনার মুখে হাসি ফোটাতে পেরে আমরাও আনন্দিত।”





