এখানে সম্পূর্ণ বিনামূল্যে মাটি পরীক্ষা করা হয়। কোন মাটি কোন শস্য, ফল বা সবজি উৎপাদনের জন্য উপযোগী তা পরীক্ষার মাধ্যমে নির্দিষ্টভাবে কৃষকদের জানিয়ে দেওয়া হয়। এছাড়া মাত্র ২-৩ দিনের মধ্যেই মাটির উর্বরতা, পিএইচ মান, প্রয়োজনীয় সার ও পুষ্টির ঘাটতি সম্পর্কে বিস্তারিত রিপোর্ট দেওয়া হয়। এর ফলে চাষিরা সঠিক সময়ে সঠিক ফসল বেছে নিয়ে পরিকল্পিতভাবে চাষ করতে পারেন।
advertisement
আরও পড়ুনঃ দীর্ঘদিনের কষ্ট থেকে বাগদার মুক্তি! অবশেষে তৈরি হচ্ছে জোড়া পাকা সেতু, বরাদ্দ ১ কোটি ৬৮ লক্ষ টাকা
মৃত্তিকা পরীক্ষা ল্যাবের টেকনিক্যাল অ্যাসিস্ট্যান্ট সব্যসাচী আচার্য জানান, “কোন জমিতে কখন কোন ফসল চাষ করলে উৎপাদন বাড়বে, তা সম্পূর্ণ মাটির গুণাগুণের উপর নির্ভর করে। তাই বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ অনুযায়ী মাটি পরীক্ষা অত্যন্ত জরুরি। এতে চাষের খরচ কমে এবং ফলন বাড়ে।”
অ্যাসিস্ট্যান্ট এগ্রিকালচার কেমিস্ট মামুনুর রশীদ জানান, “এই বছর প্রায় ২৩ হাজার কৃষককে সয়েল হেলথ কার্ড প্রদান করা হবে। এই কার্ডের মাধ্যমে কৃষকরা তাঁদের জমির বিস্তারিত স্বাস্থ্য রিপোর্ট হাতে পান, যা ভবিষ্যতের চাষ পরিকল্পনায় বিশেষ সহায়ক হয়।”
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
এক্ষেত্রে মাটি পরীক্ষার জন্য কৃষকদের প্রতি বিঘা জমি থেকে পাঁচটি আলাদা স্থান নির্বাচন করে অল্প পরিমাণে মাটি সংগ্রহ করে একত্রিত করে ল্যাবে এসে জমা দেবেন। এছাড়াও প্রতিটি ব্লকে থাকা ‘সয়েল সাথী’ কর্মীদের মাধ্যমেও মাটি পরীক্ষা করানো যাবে। চাষের আগে মাটি পরীক্ষা করে পরিকল্পিতভাবে এগিয়ে গেলে যেমন ফলন বাড়ে, তেমনই সার ও অন্যান্য খরচ কমে। এর ফলে কৃষকেরা লাভবান হতে পারবেন বলে অভিমত বিশেষজ্ঞদের।





