জনপ্রতিনিধি ও আধিকারিকরা সরাসরি কৃষকদের সঙ্গে কথা বলেন এবং চাষের পরিধি কীভাবে আরও বাড়ান যায় সেই নিয়ে আলোচনা করেন। কৃষি কর্মাধ্যক্ষ রবিউল ইসলাম জানান, বর্তমানে এলাকায় প্রায় ১৫০-২০০ বিঘা জমিতে চাষাবাদ হচ্ছে। আগামী দিনে কীভাবে এই চাষের পরিমাণ দ্বিগুণ করা যায় এবং সেই জন্য কী কী পরিকাঠামো প্রয়োজন, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
advertisement
তাঁর কথায়, “সরকারি প্রকল্পের মাধ্যমে চাষিদের সবরকম সহযোগিতা করা হবে। কৃষিক্ষেত্রে বিভিন্ন সরকারি প্রকল্পের সুবিধাও তাঁদের কাছে পৌঁছে দেওয়া হবে। ইতিমধ্যেই জলসেচ কর মকুবের ঘোষণা হয়েছে। এর ফলে কৃষকদের আর ন্যূনতম সেচ কর দিতে হবে না, যা তাঁদের আর্থিকভাবে অনেকটাই স্বস্তি দেবে।”
প্রশাসনের এই সরাসরি মাঠপর্যায়ের উদ্যোগে কৃষকরাও খুশি। নিখিল সরকার নামে এক কৃষক জানান, “এর আগে কোনদিন সরাসরি জমিতে এসে এভাবে পরিস্থিতি পরিদর্শন করেননি আধিকারিকরা। নতুন ঘোষণায় এবং সমস্যার দ্রুত সমাধানের আশ্বাসে চাষের প্রতি আগ্রহ আরও বাড়বে।”
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
ইতিমধ্যে এলাকায় প্রতিটি প্রকল্প থেকে গড়ে ১৫০-২০০ বিঘা জমিতে জল সরবরাহ করা হচ্ছে। তবে কিছু জায়গায় যান্ত্রিক ত্রুটি রয়েছে। আধিকারিকরা সেই জায়গা খতিয়ে দেখে আশ্বাস দিয়েছেন, দ্রুত সেই সমস্যাগুলির সমাধান করা হবে যাতে চাষের কাজে কোনও বিঘ্ন না ঘটে।





