ছবিতে দেখা যাচ্ছে, বিশাল মহাকাশের অন্ধকারের মাঝে জ্বলজ্বলে নীল মার্বেলের মতো পৃথিবী। বড় স্থলভাগ হিসেবে স্পষ্টভাবে দেখা যাচ্ছে আফ্রিকা। এছাড়াও ছবিতে উপরের ডানদিকে এবং নিচের বাঁদিকে দুটি উজ্জ্বল অরোরা দেখা যাচ্ছে। পাশাপাশি Zodiacal light এবং হালকা Airglow-ও ধরা পড়েছে। আর্টেমিস II-এর নভোচারী ক্রিস্টিনা কচ এই ছবির প্রতিক্রিয়ায় লিখেছেন, “You guys look great.”
advertisement
আরও পড়ুন: বাড়ির সব ঘরে পৌঁছাবে হাই-স্পিড ইন্টারনেট! নতুন রাউটার কেনার আগে এই ৩ ভুল একদম করবেন না
এটি অ্যাপোলো মিশনের পর প্রথম মানবসহ আর্টেমিস মিশন। ১৯৭০-এর দশকের পর এত দূর থেকে মানুষের তোলা পৃথিবীর প্রথম ছবিগুলোর মধ্যে এটি অন্যতম। বর্তমানে ক্রু চাঁদের পথে রয়েছে এবং সফলভাবে Trans-lunar injection burn সম্পন্ন করেছে।
এটি অ্যাপোলো মিশনের পর প্রথম মানবসহ আর্টেমিস মিশন, এবং ১৯৭০-এর দশকের পর এত দূর থেকে মানুষের তোলা পৃথিবীর প্রথম দিকের ছবিগুলির মধ্যে এটি অন্যতম (Image: X/@NASA Earth)
এই পোস্টটি কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই ১৫ লক্ষ ভিউ, ৯১ হাজার লাইক, ১৭ হাজার রি-পোস্ট এবং হাজার হাজার কমেন্ট পেয়ে ভাইরাল হয়ে গেছে। নেটিজেনরা আবেগ, বিজ্ঞানপ্রেম এবং মজার প্রতিক্রিয়ায় ভরিয়ে দিচ্ছেন কমেন্ট সেকশন।
একজন ব্যবহারকারী লিখেছেন, “আমি প্রায় এক মিনিট স্ক্রল করা বন্ধ করে শুধু এই ছবিটার দিকে তাকিয়ে ছিলাম 😭🌍। আমরা ওখানেই থাকি! এই বিশাল সুন্দর নীল গ্রহটা অন্ধকারে ঘুরছে, আর আমরা এখানে সোমবার নিয়ে অভিযোগ করছি!”
অন্য একজন ৫০ বছরের ব্যবধানে তোলা দুইটি ছবির তুলনা করে লিখেছেন, “Apollo 17 (1972) বনাম Artemis II (2026)। গভীর মহাকাশ থেকে তোলা পৃথিবীর দুইটি ছবি। কোনও পার্থক্য খুঁজে পাচ্ছেন?”
এছাড়াও অনেকেই মজা করে ‘Flat Earth’ তত্ত্ব নিয়ে মন্তব্য করেছেন—“এতে ফ্ল্যাট আর্থ থিওরির ইতি টানা হল” বা “ফ্ল্যাট আর্থে বিশ্বাসীরা এখন এটা দেখছে!”
কিছু ব্যবহারকারী ছবিতে দেখা স্থলভাগ নিয়ে প্রশ্ন তুললে, নাসা Earth অ্যাকাউন্ট থেকে উত্তর দেওয়া হয়েছে—“এই ছবিতে যে বড় স্থলভাগটি দেখা যাচ্ছে, সেটি আফ্রিকা।”
