সিরিজের দ্বিতীয় টি–টোয়েন্টিতে প্রথমে হ্যাটট্রিক করেন মুজিব উর রহমান। তিনি দ্বিতীয় ইনিংসে টানা দুই বলে এভিন লুইস ও জনসন চার্লসকে আউট করেন। এরপর নিজের পরের ওভারের প্রথম বলেই ব্র্যান্ডন কিংকে ফিরিয়ে হ্যাটট্রিক পূর্ণ করেন। তার এই পারফরম্যান্স আফগানিস্তানকে সিরিজে ২–০ ব্যবধানে এগোতে বড় ভূমিকা রাখে এবং ওয়েস্ট ইন্ডিজকে কার্যত কোণঠাসা করে ফেলে।
advertisement
তৃতীয় ও শেষ টি–টোয়েন্টিতে পাল্টা জবাব দেয় ওয়েস্ট ইন্ডিজ। প্রথমে ব্যাট করে তারা তোলে ৭ উইকেটে ১৫১ রান। জবাবে আফগানিস্তান যখন জয়ের কাছাকাছি, তখন ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দেন শামার স্প্রিঙ্গার। ইনিংসের ১৯তম ওভারে টানা তিন বলে রহমানউল্লাহ গুরবাজ, রশিদ খান ও শাহিদুল্লাহ কামালকে আউট করে হ্যাটট্রিক করেন তিনি। ৪ উইকেটে ২০ রান দিয়ে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে ১৫ রানের জয় এনে দেন এই পেসার।
আরও পড়ুনঃ রানে ফিরেই জোড়া মাইলস্টোন সূর্যকুমার যাদবের, আত্মবিশ্বাস বাড়ল ভারত অধিনায়কের
এই হ্যাটট্রিকের মাধ্যমে স্প্রিঙ্গার টি–টোয়েন্টি আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে তৃতীয় ওয়েস্ট ইন্ডিজ বোলার হিসেবে ইতিহাসে নাম লেখান, জেসন হোল্ডার ও রোমারিও শেফার্ডের পাশে। যদিও সিরিজ জিতেছে আফগানিস্তান, তবুও দুটি হ্যাটট্রিক পুরো সিরিজকে করেছে স্মরণীয়। ক্রিকেটবিশ্বে এমন ঘটনা আগে শুধু অ-পূর্ণ সদস্য দেশগুলোর সিরিজে দেখা গিয়েছিল, যা এই অর্জনকে আরও তাৎপর্যপূর্ণ করে তুলেছে।
