ঐতিহাসিক ওভারে নন্দিনী প্রথমে কানিকা আহুজাকে অফ স্টাম্পের বাইরে করা একটি ধীরগতির বলে স্টাম্প আউট করান। এরপর রাজেশ্বরী গায়কোয়াড় তাঁর নিখুঁত লাইন ও পেসের সামনে অসহায় হয়ে বোল্ড হন। ওভারের শেষ বলে রেণুকা সিংও বোল্ড হন। এই দুর্দান্ত ওভারে ম্যাচের গতিপথ পুরোপুরি বদলে যায়।
২৪ বছর বয়সি চণ্ডীগড়ের এই ক্রিকেটার শুধু হ্যাটট্রিকই নেননি, একই সঙ্গে ম্যাচে পাঁচ উইকেট নিয়ে ডব্লিউপিএলের ইতিহাসে প্রথম আনক্যাপড খেলোয়াড় হিসেবে এই নজিরও গড়েছেন। এর আগে এই টুর্নামেন্টে হ্যাটট্রিক নেওয়া বোলারদের তালিকায় ছিলেন ইসি ওয়ং, গ্রেস হ্যারিস ও দীপ্তি শর্মা। সেই তালিকায় নন্দিনীর অন্তর্ভুক্তি তাঁর উত্থানের প্রমাণ।
advertisement
নন্দিনী শর্মা ২০ সেপ্টেম্বর ২০০১ সালে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি ঘরোয়া ক্রিকেটে চণ্ডীগড় মহিলা দল এবং নর্থ জোনের হয়ে নিয়মিত খেলেছেন। সিনিয়র উইমেন্স টি-টোয়েন্টি ট্রফি ২০২৫-এ ধারাবাহিক পারফরম্যান্সের সুবাদে তিনি নির্বাচকদের নজর কাড়েন। ২০২৬ সালের নিলামে দিল্লি ক্যাপিটালস তাঁকে ২০ লক্ষ টাকায় দলে নেয়, যা তাঁর কেরিয়ারের একটি বড় মাইলফলক।
আরও পড়ুনঃ IND vs NZ: খারাপ খবর যেন শেষ হচ্ছে না! ম্যাচ জিতলেও বড় ধাক্কা খেতে হল টিম ইন্ডিয়াকে
ম্যাচের পর নন্দিনী জানান, তিনি হ্যাটট্রিকের কথা ভাবেননি। বরং স্টাম্পে আক্রমণ করাই ছিল তাঁর একমাত্র লক্ষ্য। অধিনায়ক জেমাইমা রড্রিগস ও শেফালি ভার্মার কাছ থেকে প্রতিটি বলের আগে পাওয়া উৎসাহ তাঁর আত্মবিশ্বাস বাড়িয়ে দেয়। নন্দিনীর এই পারফরম্যান্স শুধু দিল্লির জয়েই নয়, ভারতীয় নারী ক্রিকেটে এক নতুন সম্ভাবনার দরজাও খুলে দিয়েছে।
